মেইন ম্যেনু

মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী কলেজ ছাত্রী মৌ

মাশরুম চাষ করে সাফল্যের নজির গড়েছেন যশোরের এক কলেজ শিক্ষার্থী। তার সাফল্য দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়েছেন মাশরুম চাষে।

যশোর শহরের বেজপাড়া সাদেক দারোগা মোড়ের সরকারি চাকুরিজীবী মাহবুবুল আলমের মেয়ে মুসলিমা আক্তার মৌ। সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তিনি।

লেখাপড়ার পাশাপাশি যশোর হর্টিকালচার সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করেন মাশরুম চাষাবাদ। কয়েক বছরের মধ্যেই সাফল্য আসায় মাশরুম চাষাবাদে আগ্রহী হয়েছেন এলাকার অনেকে।

মুসলিমা আক্তার মৌ বলেন, মাশরুম থেকে যে আয় হচ্ছে আমার তা দিয়ে আমি আমার দৈনন্দিন খরচ মেটানোর চেষ্টা করি। আমি চাই আমার দেখাদেখি যাতে যুবক-যুবতীরা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নিজেকে এগিয়ে নিতে পারে।

মাশরুম পরিচর্যায় মুসলিমা আক্তারকে সাহায্য করছেন তার পরিবারের সদস্যরা। মুসলিমা আক্তারের মা আবেদা সুলতানা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি মেয়ে হয়েও মৌ যে উদ্যোগটা নিয়েছে এজন্য আমরা গর্ববোধ করি।

মুসলিমা আক্তারের বোন হাবিবা আক্তার মীম বলেন, আমার বড় আপু মাশরুম চাষের পাশাপাশি আমাদের সংসারের কাজেও অনেক সহযোগিতা করে।

মাশরুম চাষাবাদে সাধারন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা দিচ্ছে যশোর হর্টিকালচার সেন্টার।

যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক বিনয় কুমার সাহা বলেন, মাশরুম উৎপাদন এবং নানা ধরনের সমস্যাবলি নিয়ে আমরা তাদের নিয়মিতই পরামর্শ দিয়ে থাকি। ক্ষেত্রবিশেষে আমরা তাদের কাছে যাই এবং তাদের উৎপাদনের কাজ কেমন চলছে তা দেখি। কোন সমস্যা থাকলে আমরা সরেজমিনে গিয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বাড়ির আঙ্গিনায় ছোট পরিসরে উৎপাদনমুখী এ শিল্প গড়ে হাজার হাজার টাকা আয় হতে পারে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।