মেইন ম্যেনু

মাসির জন্য ৫ ফুট উঁচু মঞ্চ থেকে দেবের লাফ

লোই চলছিল সব কিছু। হঠাৎ মঞ্চ থেকে লাফ দিলেন দেব। কী করছে দেব, হাত-পা ভেঙে যাওয়ার মত অবস্থা, কিন্তু সে কি আর শোনে! তড়িঘড়ি করে মঞ্চ থেকে জনতার ভিড়ে লাফ দিলেন দেব।

যদিও স্টেডিয়ামে ঢোকার জন্য কার্ড ছাপানো হয়েছিল। কিন্তু স্টেডিয়ামের সব গেটই একসময় খুলে দেয়া হয়।

তবে কথা হচ্ছে লাফ দিলেন কেন দেব? ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণ পরে দেব নিজেই রহস্যটা ফাঁস করে দিলেন।

চন্দ্রকোণায় ছবির শুটিং শেষ করে আসেন দেব। মঞ্চে তখন হাজির জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতারা এবং ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী উমা সোরেন।

ওই মুহুর্তে পুরো স্টেডিয়াম জনগনে ভরপুর, কোথাও কোন জায়গা নেই। স্টেডিয়ামের একদিকে নারীদের জন্য বসার আলাদা ব্যবস্থা ছিল।

তৎক্ষণাৎ দেবের মঞ্চ থেকে লাফ মারার রহস্যটা লুকিয়ে ছিল সেখানেই। দেব মঞ্চে উঠতেই সেখান থেকে অনেকেই ছুড়ে দিচ্ছেলেন ‘ফ্লাইং কিস’।

৭৬ বছরের সেই বৃদ্ধাও যে জানেন, ডেনিম জিনস আর গাঢ় নীল জামা পড়া বাঙালি তরুণীর ‘হার্ট থ্রব’ দেব আসলে গুরুপদর ছেলে রাজু। ওই তো ছোটবেলায় তাঁর কাছে এসে বায়না ধরতো, ‘মাসি (খালা) টাকা দাও না, লজেন্স খাব।’

রাজু (দেব) আসছে শুনে পশ্চিম মেদিনীপুরের মহিষদা গ্রামের বাসিন্দা বীণাপাণি দাস ভাইপো জিতেন্দ্র দাসের সঙ্গে চলে এসেছিলেন অরবিন্দ স্টেডিয়ামে। রাজুকে (দেব) দেখার জন্য ভিড় ঠেলে মঞ্চের সামনে চলে এসেছিলেন। কিন্তু রাজু তো এখন অনেক বড় হয়ে গিয়েছে৷ ওরতো এখন অনেক নাম। ছোটবেলার এ পিসিকে চিনতে পারবে তো দেব নামের সেই ছোট্ট রাজু!

ঘটনাটি ঘটে এর ঠিক কিছুক্ষণ পরেই। হঠাৎ করেই বীণাপাণি দাসের সঙ্গে চোখাচোখি হয় দেব নামের সেই ছোট্ট রাজুর। বীণাপাণিদেবীও আর দেরি করেননি চিৎকার করে দু’হাত তুলে ডাকতে থাকেন, ‘আয় রাজু আয় এ দিকে। নেমে আয় মঞ্চ থেকে। এই কথা শুনে দেব রীতিমতো ফিল্মি স্টাইলে লাফ দিলেন পাঁচ ফুট উঁচু মঞ্চ থেকে। ছুটে গেলেন সেই ছোটবেলার মাসির (খালা) কাছে।