মেইন ম্যেনু

মাহি-শাওনের ডিভোর্স নিয়ে ধূম্রজাল

ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিয়ের পর পরই ফের আলোচনায় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। বিয়ের পর শাহরিয়ার শাওনের প্রতিক্রিয়া এবং তারই সূত্র ধরে শাওনের বিরুদ্ধে মাহির মামলা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে সারাদেশে। প্রতিদিনই মিডিয়ায় শিরোনাম হচ্ছে মাহি-শাওনকে নিয়ে। রিমান্ডে মাহির সঙ্গে শাওনের বিয়ের কথা স্বীকার এবং আদালতে বিয়ের কাবিননামা উপস্থাপনের পর প্রশ্ন উঠেছে তাহলে মাহির এখন স্বামী কয়জন?

মাহি যদি শাওনকে বিয়ে করেই থাকেন তাহলে মাহি কি ডিভোর্স দিয়ে পারভেজকে বিয়ে করেছেন? এ ব্যাপারে শাওন জেলে থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়নি। তবে তাঁর আইনজীবী বিল্লাল হোসেন বলেছেন, মাহির সঙ্গে শাওনের বিয়ে হয়েছে-এটা জানি এবং কাবিননামাও আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু ডিভোর্সের কথা আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সোহরাব হোসেনের কাছে প্রশ্ন করা হলে মাহির সঙ্গে শাওনের বিয়ের কথা স্বীকার করে বলেছেন, রিমান্ডে শাওন তাদের বিয়ে এবং ডিভোর্সের কথা স্বীকার করেছেন। তবে ডির্ভোসের কোনো প্রমাণপত্র পাওয়া যায়নি।

তবে শাওনের আইনজীবী বিল্লাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা ডিভোর্সের বিষয়ে কোনো তথ্য আদালতে উপস্থাপন করেননি।

শাওনের বড় চাচা আবুল হাসেম বলেছেন, মাহিয়া মাহি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। বিয়ের পর তারা বুঝতেই পারেননি ভবিষ্যতে এরকম দিনও দেখতে হবে। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, বিয়ের আগে বেশ কয়েকবার শাওনদের বাসায় এসেছে মাহি ও তার পরিবার। মূলত তাদের দিক থেকেই পীড়াপীড়ি ছিল এই বিয়ের জন্য। শেষ পর্যন্ত বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দুই পরিবার। আর বিয়েটা সম্পন্ন হয় শাওনের এক চাচাতো দাদার বাসায়। বিয়ের পর মাহি শাওনদের বাড্ডার বাসায় আসা-যাওয়া করতো। তবে বেশিরভাগ সময় থাকতো উত্তরাতে। কারণ শুটিংয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় তাকে যেতে হতো।

শাওনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন বলেন, শাওনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে সেই কাবিননামা আমি আদালতে দাখিল করেছি। আর শাওনের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টাই স্বীকার করছেন না মাহি। তাহলে ডির্ভোস দেওয়ার বিষয়টি আসবে কীভাবে। আমাদের দেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে নতুনভাবে বিয়ে করতে গেলে আগের স্বামী বা স্ত্রীকে ডির্ভোস দিতে হয়।

তিনি বলেন, সেটা মাহি করেননি। মাহির বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী মামলা করা হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে শাওনের বিয়ে এবং ডিভোর্সের কথা স্বীকার করা বা না করার কোনো তথ্য রিমান্ড প্রতিবেদনের কোথাও উল্লেখ করেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি রিমান্ড প্রতিবেদনে লিখেছেন আসামির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে মাহির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিয়ের পর পরই মাহি তার স্বামী পারভেজকে নিয়ে হানিমুনে বিদেশে রয়েছেন। সূত্র : ঢাকা টাইমস