মেইন ম্যেনু

মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী।

বুধবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে মৌলভীবাজার শহরে অবস্থিত ৩৬০ আওলিয়ার অন্যতম শাহ মোস্তফা মাজারে মা-বাবার কবরের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়।

মন্ত্রীর ভাইয়েরা যখন লাশ শায়িত করছিলেন তখন সেখানে এক হৃদয়বিদারক দুশ্যের অবতরণা ঘটে। মন্ত্রীর স্বজনরা ছাড়াও অনেক গরীব দুঃখী মানুষকে কাঁদতে দেখা যায়।

এর আগে বিকাল ৪টায় মিনিটে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজ-ই-জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় ইমামতি করেন মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার প্রবীণ আলেম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সিদ্দিকী।

নামাজ-ই-জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ শাহাব উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহিদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন প্রমুখ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমেদ কামরানসহ কয়েক হাজার মানুষ।

এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঢাকা থেকে মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। সেখানে অপেক্ষায় থাকা পরিবারের লোকজন মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর মন্ত্রীর লাশ নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়।

সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এর আগে মহসিন আলীর মরদেহ রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল সোয়া ৮টা থেকে সোয়া ৯টা পর্যন্ত তার কফিন শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রীর লাশ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেয়া হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ছাড়াও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা তাকে শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখানে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গত সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহসিন আলী মারা যান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার লাশ বাংলাদেশে পৌঁছায়।