মেইন ম্যেনু

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-তৃতীয় ধাপ

মিঠাপুকুরে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৪৬টি প্রার্থীদের আচরণবিধি ভঙ্গের মহোৎসব

মোঃ শামীম আখতার, উপজেলা প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)॥ রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় দফায়, ২৩ এপ্রিল। ইতোমধ্যেই প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা আর গণসংযোগে তুঙ্গে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ। নির্বাচনকে প্রবাভিত করতে পেশি শক্তি প্রয়োগ আর কালো টাকার ব্যবহার চলছে বলে কোন কোন প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন।

এছাড়া, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সমর্থক, ভোটার ও কর্মীদেরকে ভয়-ভীতি, হুমকী, পুলিশী হয়রানীরও অভিযোগ এসেছে। এই উপজেলার ১৭টির মধ্যে ৭টিতে তৃতীয় ধাপে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ৪৬টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসিবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে।

৭ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৯, সাধারন সদস্য পদে ২৯৮ এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১৬ জন নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন। এসব ইউনিয়নে ৭৫টি ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বুথের সংখ্যা ৫২৫টি।

এরমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৪৬টি ও সাধারন কেন্দ্র ২৯টি। মোট ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮০ জন। যেসব ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেগুলো হলো- ৩নং পায়রাবন্দ ইউনিয়ন, ৬নং কাফ্রিখাল, ৭নং লতিবপুর, ১৪নং দুর্গাপুর, ১৫নং বড় হযরতপুর, ১৬নং মির্জাপুর ও ১৭নং ইমাদপুর ইউনিয়ন।

আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন প্রার্থী ও সমর্থকেরা। এখানে কিছু কিছু ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের কালো টাকা ব্যবহার করে ভোটারদেরকে প্রভাবিত করা, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সমর্থক, ভোটার, কর্মীদেরকে নানাভাবে হয়রানী, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গণসংযোগ ও প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অনেক প্রার্থী অভিযোগ করেছেন। মিঠাপুকুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, প্রত্যেক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। পুলিশী টহল বাড়ানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন বলেন, ইতোমধ্যে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারেন সেজন্য কেন্দ্রগুলোকে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকিয়ে ফেলা হবে।