মেইন ম্যেনু

মিঠাপুকুরে টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

রংপুরের মিঠাপুকুরে অবিরাম ভারি বর্ষণের ফলে নিম্নঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। রোপা আমনসহ বিভিন্ন চাষাবাদ এখন কয়েক ফুট পানির নীচে। খাল-বিল, নদী-নালাসহ পুকুর গুলো ডুবে চাষীদের মাছ সর্বস্তরে ভেসে গেছে। ঘর-বাড়ি গুলোতে পানি উঠে পড়ায় দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছে এসব অঞ্চলের মানুষ। অপরদিকে কিছু মানুষ মনের আনন্দে মাছ শিকারের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিনে টানা ভারি বর্ষনে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চলগুলো পানিতে থৈ থৈ করছে। প্লাবিত অঞ্চলগুলো হলো- পায়রাবন্দ ইউনিয়নের বিরাহীমপুর, জাফরপুর, বাহাদেবপুর, লহনী ও সদরপুর। কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ইকবালপুর, বুজরুখ তাজপুর, আলীপুর, মিয়ারহাট ও শেমপুর। ভাংনী ইউনিয়নের ত্রিমোহনী ফতেপুর, নারায়নপুর, বেতগাড়া, মাটিয়াখোলা ও রাধানগর। বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের যমুনেশ্বরী নদীর পাশে বালুয়া চাঁনটারি, বৈরাগীকুটি, ভাটারপাড়া, রঘুনাথপুর, খিয়ারপাড়া, পাটনিপাড়া, চরনিদাষপাড়া ও টাপুপাড়া। বালারহাট ইউনিয়নের খোর্দ্দেশ্বরপুর ও ইমাদপুর ইউনিয়নের আদারহাটের পাশে চরপাড়া।

টানা ভারি বর্ষণে কৃষকের রোপা আমনসহ বিভিন্ন চাষাবাদ গুলো বর্তমানে পানির নিচে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়াসহ শতশত বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বিশেষ করে শালমারা নদী খনন না থাকার ফলে ভারি বর্ষন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই নদী ভরে পানি ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।

এসব অঞ্চলের মানুষের যেমন নিদারুন কষ্ট বেড়েছে, তেমনি ভাবে গরু-ছাগল নিয়ে বিপাকে পড়েছে তারা। কৃষকরা মনে করছেন এ অবস্থা চলতে থাকলে রোপা আমন আর ঘরে তোলা সম্ভব হবে না। তবে ৪-৫ দিনের মধ্যে পানি কমে গেলে এসব চাষাবাদ কিছুটা হলেও বেঁচে থাকবে বলে আশা করছেন তারা। এদিকে পানি বেড়ে যাওয়ায় জায়গীরহাট, শালমারা বাজার, শঠিবাড়ীসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে মাছ শিকারের জাল বিক্রির হিড়িক পড়েছে বলে জানাগেছে।