মেইন ম্যেনু

একই স্থানে দূর্ঘটনা ঘটেছে ৬টি

মিঠাপুকুরে মহাসড়কের জায়গা বেদখল করে দোকান ঘর স্থাপন

মোঃ শামীম আখতার, উপজেলা প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)॥ ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের মিঠাপুকুরের শাহ্ আমানত ফিলিং স্টেশনের সামনে জায়গাটি স্থানীয় প্রভাবশালীরা বেদখল করে দোকানঘর নির্মান করেছে। মহাসড়ক থেকে মাত্র ৩ মিটার দুরত্বে দোকানঘর নির্মানের ফলে এ পর্যন্ত ঘটেছে ৬ টি দূর্ঘটনা। আহত হয়েছে প্রায় ২০ জনের মত। গত সোমবার ভোররাতে এরকম একটি দূর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধারে ৭ বছর আগে গড়ে ওঠে শাহ্ আমানত ফিলিং স্টেশন। ফিলিং স্টেশনকে কেন্দ্র করে জয়রামপুর ও লহনি গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী শুরু করেন মহাসড়কের জায়গা বেদখলের। তারা প্রথমে মহাসড়কের পশ্চিমধারে স্থাপন করে চৌকি বসিয়ে দোকনঘর। এরপর টিনসেট দিয়ে নির্মান করেছেন প্রায় ১২টি দোকানঘর। মহাসড়ক থেকে মাত্র ৩ মিটার দুরত্বে দোকানঘরগুলো নির্মান করায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। এ পর্যন্ত প্রায় ৬টির মত দূর্ঘটনা ঘটেছে সেখানে। আহত হয়েছে ২০ জনেরও বেশি মানুষ।

গত সোমবার ভোররাতে একটি মাল বোঝাই ট্রাক ওই স্থানে দূর্ঘটনায় পতিত হয়। এসময় কোন লোকজন না থাকায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয়দের দাবি, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের এই স্থানটি বেদখলের হাত থেকে রক্ষা করা হোক। কারণ, সামনে শাহ্্ আমানত ফিলিং স্টেশন থাকায় সব সময় যানবাহনের জট লেগেই থাকে। অপরদিকে, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দ্রুতগামি যান চলাচলের ফলে সড়ক দূর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা শতভাগ।

শাহ্ আমানত ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক শিবলী বলেন, মহাসড়কের জায়গা বেদখল করে স্থানীয়রা দোকানঘর নির্মান করেছেন। আমরা বিষয়টি রোডস্ এন্ড হাইওয়ে এবং রাস্তার সঙ্গে জমির মালিককে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা পদক্ষেপ গ্রহন করবেন। বড় দরগাহ্ হাইওয়ে পুলিশ ইনচার্জ কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার শাহ্ আমানত ফিলিং স্টেশনের সামনে দোকানঘরে একটি ট্রাক দূর্ঘটনায় পতিত হয়। আমরা দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটিকে ফাঁড়িতে নিয়ে এসেছি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের ধারে পথচারিদের চলাচলের স্থানটি দখল করে দোকনঘর নির্মান করা হয়েছে ১২টি। এরমধ্যে, সাহেব মিয়া, সুলতান, হ্যাবলা, আশিকুর রহমান, ইসমাইল, হোসেন আলী, আলম মিয়ার দোকানঘর রয়েছে।

কাপড় ব্যবসায়ি ও বেদখলদার সাহেব মিয়া বলেন, আমরা রাস্তার জায়গায় দোকনঘর নির্মান করেছি। এতেতো কারো কোন সমস্যা হচ্ছে না।

রংপুর রোড্স এন্ড হাইওয়ের নির্বাহি প্রকৌশলী মাববুল আলম খাঁন বলেন, ঘটনাস্থলে আমাদের লোকজনকে পাঠাচ্ছি। হাইওয়ের জায়গা দখল করলে অবশ্যই উচ্ছেদ করা হবে।