মেইন ম্যেনু

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা যাবে না : বাবুল আক্তার

গত শুক্রবার রাতে এসপি বাবুল আক্তারকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নিয়ে গেলে শনিবার দিনব্যাপি নানা গুঞ্জন উঠে। পরে বিকেলে বাসায় ফিরেন বাবুল। বাসায় ফেরার পূর্বে বাবুল তার শ্বশুরকে ফোনে বলেছিলেন, ‘আমি রিলিজ হয়েছি, বাসার দিকে আসছি। তবে মিডিয়ার সঙ্গে বা কারো সাঙ্গেই কথা বলা যাবে না।’ স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার আসামীদের সনাক্ত কারার জন্য বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাতে সপি বাবুল আক্তারের শ্বশুর আবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মোশারফ হোসেন এ কথা জানান।

শুক্রবার গভীর রাতেই তার বাসা থেকে এসপি বাবুল আক্তারকে নিয়ে গিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ। ১৪ ঘণ্টা পর আবার ফিরেছেন তিনি। তার যাওয়া এবং ফিরে আসার মাঝে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, স্ত্রী হত্যায় ফেঁসে যাচ্ছেন বাবুল আক্তার।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে অফিসার্স ক্লাব থেকে ফেরার পর ডিবির দুই কর্মকর্তা ১০ মিনিটের আলাপ আছে বলে বাবুল আক্তারকে নিয়ে যায়। ১০ মিনিটের জায়গায় ২০ মিনিট হতে পারে, কিন্তু যখন ঘণ্টা পেরিয়ে গেলো তখন আতঙ্কিত হয়ে পরেছিলাম।

১৪ ঘণ্টা পর যখন বাবুল আক্তার ফিরে এল। তখন ভালো লাগছিল। আর মনে হলো টাইম সিডিউল মেন্টেইন না করলেও কথা রেখেছে ডিবি।

বাসার দিকে রওনা হওয়ার আগেই বাবুল ফোন দিয়ে বলেছিল, ‘আমি রিলিজ হয়েছি, বাসার দিকে আসছি। তবে মিডিয়ার সঙ্গে বা কারো সাঙ্গেই কথা বলা যাবে না।’ ডিবির ডিসির গাড়িতে করে বাসায় ফিরে গোসল করে ঘুমোতে যায় বাবুল।

স্ত্রী হত্যায় ফেঁসে যাচ্ছেন বাবুল আক্তার এমন গুঞ্জনের পর আপনাদের কেমন লাগছিল জানতে চাইলে বৃদ্ধ মোশারফ হোসেন বলেন, মোটেও না। দুএকজন এমন কথা বলেছে, কিন্তু এ ধরনের কথা বিশ্বাস করার কোনো অর্থই হয় না।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি’র মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে খুন হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনার পরদিন পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মিতু হত্যায় সরাসরি জড়িত সন্দেহে আবু মুছা (৪৫) ও এহতেশামুল হক ভোলা (৩৮) নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশের একটি ইউনিট। এরা দু’জনই এসপি বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।