মেইন ম্যেনু

মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় কলারোয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নিন্দা

পত্রপত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সাতক্ষীরার কলারোয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নিন্দা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুর যৌথ স্বাক্ষরে এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে তারা জানান, গত ইং ২৭ শে জুলাই ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার প্রথম কলামে ‘প্রকল্পের টাকায় পাকা হইয়াছে বাড়ীর উঠান’ ও ২৮জুলাই শেষের পাতায় ‘চাঁদার টাকায় উঠতি নেতারা কোটিপত’ শিরোনামে সংবাদ দুটি প্রকাশ হয়েছে।
এই শিরোনামের কলারোয়ার খবরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের জড়িয়ে যে সংবাদটি পরিবেশন করা হইয়াছে আমরা তার ভিন্নমত পোষণ করি। কারণ সচেতনাতর এই যুগে সরকারি বরাদ্দের সমস্ত প্রকল্প তার সভাপতিরাই বাস্তবায়ন করেন এবং বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করেন। এখানে অন্য কারো হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ নাই।

উল্লেখিত সংবাদে জনৈক সরদার মুজিব নামের যে ছেলেটি এসকল তথ্য দিয়েছেন বলে উল্লেখ আছে, সেই ছেলেটির কুকীর্তির কথা বলতে আমার শিক্ষা রুচি ও সামাজিক মর্যাদায় বাধে। সে অত্র উপজেলার নাকিলা গ্রামের মৃত চাঁদ আলীর চার স্ত্রীর মধ্যে ২য় স্ত্রীর মেঝ ছেলে নাম মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো একজন সাধারণ সিপাহী। এখন সরদার মুজিব নাম নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কখনও সৈনিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, কখনও কর্নেল মুজিব, কখনও গণভবনের ব্যক্তিগত স্টাফ হিসাবে পরিচয় দিয়ে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছে। তার নিজস্ব কোন আয়ের উৎস নাই এবং একটি দিনহীন পরিবারের ছেলে। অথচ নাম্বর বিহীন ও কাগজপত্র বিহীন বিলাস বহুল হ্যামার গাড়ীতে চলাফেরা করে।

এলাকায় তার কুকীর্তির জন্য কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ গত ২৩ জুলাই বর্ধিত সভায় নেতা কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়। এ কারণে সে তার নিজস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এ ধরনের মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও বানোয়ার্ট তথ্য পরিবেশন করে, যা আমাদের সামাজিক এবং পারিবারিক সম্মান ক্ষুন্ন করেছে।

সে কারণে আমরা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়-
প্রকৃতপক্ষে আমি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ছাত্র জীবনে সুনামের সাথে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি। পরবর্তীতে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরে নেত্রীর নির্দেশে কলারোয়া আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি এবং কাউন্সিলের মাধ্যমে বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছি এবং তৃণমূলের বিপুল বিজয় নিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে বিপুল ভোটে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছি।

আমিনুল ইসলাম লাল্টুও একই ভাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে দলীয় মনোনীত হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় এবং কাউন্সিলের মাধ্যমে ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

উক্ত মিথ্যা বা বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় আমাদের দু’জনের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। এহেন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের জন্য আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।