মেইন ম্যেনু

মীর কাসেমের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে অপহরণ, গুম, খুন ও নির্যাতনসহ ১৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাসেম আলীকে ১৪টি ঘটনায় অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

কাসেম অালীর বিরুদ্ধে গঠন করা ১১ নম্বর অভিযোগে ৬ জনকে অপহরণ করে আটকে রেখে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয়। বাকি ১৩টি অভিযোগে ২৬ জনকে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৮ নভেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের আগ পর্যন্ত এসব অপহরণ ও আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ২৬ জনের নাম এসব অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বুধবার আপিলের চূড়ান্ত রায়ে ১১ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেমের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছেন আদালত।

বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান

অভিযোগগুলো হলো:
১. মো. ওমর-উল ইসলাম চৌধুরীকে আটক ও নির্যাতন (৮ নভেম্বর)
২. লুৎফুর রহমান ফারুককে আটক ও নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ (১৯ নভেম্বর)
৩. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে আটক ও নির্যাতন (২২ বা ২৩ নভেম্বর)
৪. সাইফুদ্দিন খানকে আটক ও নির্যাতন (২৪ নভেম্বর)
৫. আব্দুল জব্বার মেম্বারকে আটক ও নির্যাতন (২৫ নভেম্বর)
৬. হারুন-অর-রশিদ খানকে আটক ও নির্যাতন (২৮ নভেম্বর)
৭. মো. সানাউল্লাহ চৌধুরীসহ তিনজনকে আটক ও নির্যাতন (২৭ নভেম্বর)
৮. নুরুল কুদ্দুসসহ চারজনকে আটক ও নির্যাতন (২৯ নভেম্বর)
৯. সৈয়দ মো. এমরানসহ ছয়জনকে আটক ও নির্যাতন (২৯ নভেম্বর)
১০. মো. জাকারিয়াসহ চারজনকে আটক ও নির্যাতন (২৯ নভেম্বর)
১১. জসিমসহ ছয়জনকে আটক, নির্যাতন ও হত্যা (একাত্তরের ঈদের পরদিন)
১২. রঞ্জিত দাস ও টুন্টু সেনকে নির্যাতন ও হত্যা (নভেম্বর মাসের যে কোনও দিন)
১৩. সুনীল কান্তি বর্ধনকে আটক ও নির্যাতন (নভেম্বর মাসের শেষে)
১৪. নাসিরউদ্দিন চৌধুরীকে আটক ও নির্যাতন (নভেম্বর মাসের শেষে)