মেইন ম্যেনু

মুঠোফোন সম্পর্কে এই তথ্যগুলি জেনে নিন

এখনকার দিনে মুঠোফোন ছাড়া একমুহূর্ত ভাবা যায় না। সারাক্ষণ এই যন্ত্রটি আমাদের সঙ্গী হয়ে রয়েছে। আর সত্যি বলতে কাজের ক্ষেত্রে হোক অথবা বিনোদনের ক্ষেত্রে, সবসময়ই এই যন্ত্রটিকে ব্যবহার করে চলেছি আমরা। সব ক্ষেত্রেই মুঠোফোন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আমাদের ব্যবহার করতেই হয়। এছাড়া কোনো উপায় নেই।

গবেষণায় দেখা গেছে, মুঠোফোন থেকে বের হওয়া রেডিওফ্রিকোয়েন্সির ফলে ব্রেন টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যায়। এর থেকে ক্যান্সারও হতে পারে। মুঠোফোনের ফলে অমনযোগী হওয়া, অস্থিরতা, মনসংযোগ না থাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাজ সঠিকভাবে না করতে পারাসহ একাধিক সমস্যার শিকার হচ্ছে মানুষ। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক, মুঠোফোনের বিকিরণ থেকে নিজেকে বাঁচানোর কিছু উপায়-

• ফোন চার্জে বসিয়ে কথা বলবেন না। খুব প্রয়োজন না পড়লে পুরো চার্জ হতে দিন। তারপর ফোন ব্যবহার করুন। আর না হলে চার্জ থেকে খুলে কথা বলুন।

• জনবহুল বদ্ধ জায়গায় কখনই মুঠোফোন ব্যবহার করবেন না। এতে আপনারও ক্ষতি, তেমনই অন্যেরও ক্ষতি হয়। কারণ টাওয়ার পেতে মুঠোফোন বেশি করে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।

• দুর্বল সিগন্যাল এলাকায় মুঠোফোন ব্যবহার করবেন না। এতে মুঠোফোন আরও বেশি করে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।

• যখন ফোনে কথা বলার জন্য ডায়াল করবেন তখন যতক্ষণ না অপরপ্রান্তে ফোন তুলছে ততক্ষণ কানে রেখে দেবেন না। সারাদিনে প্রতিবার এরকম অভ্যাস করলে কিছুটা হলেও বাঁচতে পারবেন।

• যদি বেশিক্ষণ মুঠোফোনে কথা বলতে হয় তাহলে হেডফোন ব্যবহার করে অথবা স্পিকার অন করে কথা বলুন।

• এটা মোটামুটি সকলেই জানেন যে, গর্ভবতী অবস্থায় মুঠোফোন ব্যবহার করলে বাচ্চা ও মা দু’জনেরই ক্ষতি হয়।

• অনেকসময়ই স্মার্টফোনগুলি লো ব্যাটারি হয়ে যায়। এমন অবস্থা হলে যত পারবেন কম কথা বলবেন। লো ব্যাটারি ফোন বেশি ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ করে।

• যদি কথা না বলে বার্তা পৌঁছানোই আসল উদ্দেশ্য হয় তাহলে কথা না বলে মেসেজ করুন, ক্ষতি কম হবে।

• খুব দরকার না পড়লে রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল বন্ধ রাখুন। তা না করলে অন্তত মুঠোফোনকে বিছানায় স্থান দেবেন না।

• সস্তা ফোন বা চায়না মডেলে ভরসা রাখবেন না। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হবে বেশি। দামি না হলেও নামি কোম্পানির ফোন ব্যবহার করুন।

• মুঠোফোনে কথা বলার সময় হেডফোনে বলুন ও মোবাইলকে শরীর থেকে দূরে রাখুন।

মুঠোফোনের যেমন অনেক ভালো দিক আছে, তেমনি খারাপ দিকও কম নয়। তাই আজ থেকে আমরা চেষ্টা করবো মোবাইলের খারাপ দিকগুলো পরিহার করার।