মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশ ‘এ’-ভারতীয় ‘এ’ তিনদিনের ম্যাচের প্রথম দিন

মুমিনুলদের ওপর চড়াও ধাওয়ানের ব্যাট

একা একজনই ব্যাট করে যাচ্ছেন। অপর প্রান্তে অন্য কোন ব্যাটসম্যান উপস্থিত আছেন কি না সেটাও জানার যেন কোন ফুরসত মিলছে না। ব্যাঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতীয় ‘এ’ দলের অধিনায়ক এবং ওপেনার শিখর ধাওয়ানের কথাই বলা হচ্ছিল। সাব্বির রহমানের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও বাংলাদেশ ‘এ’ দল অলআউট হয়ে গেছে ২২৮ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে একাই চড়াও হয়েছেন শিখর ধাওয়ান। ৩৩ ওভার ব্যাট করে ভারতীয় ‘এ’ দলের সংগ্রহ ১৬১ রান। এর মধ্যে ১১৬ রানই এসেছে ধাওয়ানের ব্যাট থেকে। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের চেয়ে এখনও ৬৭ রান পিছিয়ে ভারতীয় ‘এ’ দল।

বাংলাদেশকে অলআউট করে দেয়ার পর ব্যাট করতে নেমে অভিনভ মুকুন্দ এবং শিখর ধাওয়ান মিলে বড় জুটি গড়ে তোলেন। দু’জনের ১৫৩ রানের এই জুটিতে মুকুন্দের অবদান মাত্র ৩৪ রান। বাকি রানগুলো এসেছে ধাওয়ানের ব্যাট থেকেই। তার ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল যেন কোন টি২০ ম্যাচ চলছে। এছাড়া ম্যাচের ভাগ্য কোন দিকে গড়াতে পারে সেটাও অনুমান করা সহজ হয়ে যাচ্ছে।

শুভাগত হোমের ঘূর্ণিতে মুকুন্দ বোল্ড আউট হয়ে গেলে ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতে নামেন শেয়াস আয়ার। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬ রানে। ধাওয়ান ১১২ বল খেলে ১১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। ১৬টি বাউন্ডারির পাশাপাশি ২টি ছক্কার মারও ছিল তার ব্যাটে।

এর আগে দিনের শুরুতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শিখর ধাওয়ান। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটিং। দুই ওপেনার ফিরে যান মাত্র ২ রানের মধ্যে। দু’জনের নামের পাশেই একটি করে ‘হাঁস’। অধিনায়ক মুমিনুল হক আউট হন ২ রান করে। ৩ ওভারে ২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল বাংলাদেশের ব্যাটিং তখন লিটন দাসের প্রয়োজন ছিল ধরে খেলার চেষ্টা করা। কিন্তু তিনিও গোল্ডেন ডাক। ৯ বল মোকাবেলায় কোন রান না করেই বরুন অ্যারোনের বলে ক্যাচ তুলে দিলেন। ৬ রানে পড়ল ৪ উইকেট।

এরপর বিপর্যয় কাটাতে নিজেদের ওপর দায়িত্ব তুলে নেন দুই অলরাউন্ডার সাব্বির রহমান এবং নাসির হোসেন। ৪৪ রানের জুটি গড়ার পর তারা বিচ্ছিন্ন হন। বাংলাদেশ মূলতঃ ঘুরে দাঁড়ায় সাব্বির আর শুভাগত হোমের দুর্দান্ত জুটির ওপর। এ দু’জন মিলে গড়ে তোলেন ১৩২ রানের জুটি। ৯৫ বলে ৬২ রান করে আউট হয়ে যান শুভাগত। এরপর আর কেউ দাঁড়াতেই পারেনি। সাব্বির একাই দলকে টেনে নিয়ে যান ২২৮ রান পর্যন্ত। ১২২ রান করে অপরাজিত থাকেন সাব্বির। ১৩১ বলে খেলা ইনিংসটি সাজানো ছিল ২৩টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কায়।



« (পূর্বের সংবাদ)