মেইন ম্যেনু

মুস্তাফিজদের হারিয়ে প্লে অফে সাকিবরা

সুনীল নারিনের দুর্দান্ত বোলিং এবং ইউসুফ পাঠানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দারুণ জয় পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সানরাইজার্স হায়দারাবাদকে তারা ২২ রানের ব্যবধানে হারিয়ে প্লে অফে নিশ্চিত করেছে সাকিবের দল। একই সঙ্গে এ ম্যাচে হেরেও রানরেট বিবেচনায় প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গেছে মুস্তাফিজের দলের। এর আগে টুর্নামেন্টে প্রথম দল হিসাবে প্লে অফ নিশ্চিত করে গুজরাট লায়ন্স।

কলকাতার দেয়া ১৭২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করে হায়দারাবাদ। ওয়ার্নারের সঙ্গে ২৮ রানের জুটির পর নামান ওঝাকে নিয়ে ৫৮ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন শিখর ধাওয়ান। তবে দলীয় ৮৬ রানে ধাওয়ানের বিদায়ের পর আর কোন ব্যাটসম্যান থিতু না হতে পারলে ৮ উইকেটে ১৪৯ রানে থামে তাদের ইনিংস।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন ধাওয়ান। ৩০ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এছাড়া যুবরাজ ১৯ ও ওয়ার্নার ১৮ রান করেন। কলকাতার পক্ষে ২৬ রানে ৩টি উইকেট পান সুনিল নারিন। ২৮ রানে ২টি উইকেট নেন কুলদিপ সিং। সাকিব ৩৪ রানে যুবরাজ সিংয়ের উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে কলকাতা। ব্যাটিংইয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করে তারা। রবিন উত্থাপারা ২৫ রানের সুবাদে প্রথম উইকেটে ৩৩ রান করে তারা। এরপর দ্রুত উত্থাপা, গম্ভীর ও মুনরো আউট হলে কিছুটা পড়ে যায় তারা। তবে চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মানিশ পান্ডে এবং ইউসুফ পাঠান।

এ দুই ব্যাটসম্যানের ৮৭ রানের জুটির সুবাদে বিপর্যয় সামাল দেয় কেকেআর। ৪৮ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন পাণ্ডে। তবে অপরপ্রান্ত আগলে রেখে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ইউসুফ পাঠান। দলের পক্ষে ৫২ রান করেন তিনি। এদিন মাত্র ৭ রান করেন ভুবনেশ্বর কুমারের শিকারে পরিণত হন সাকিব।

শেষের দিকে তেমন কেউ রান করতে না পারলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানে থামে কলকাতার ইনিংস। হায়দারাবাদের পক্ষে ২টি করে উইকেট পান দিপক হুদা ও ভুবেনেশ্বর কুমার। এদিন ছয় নম্বর ব্যাটসম্যান জ্যাসন হোল্ডারের উইকেট পান মুস্তাফিজ। টুর্নামেন্টে ১৪ ম্যাচে এটি মুস্তাফিজের ১৬তম উইকেট।