মেইন ম্যেনু

মুস্তাফিজের বোলিং রহস্য উদঘাটিত!

অজন্তা মেন্ডিসের কথা মনে আছে? আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে আর্বিভূত হয়েছিলেন রহস্যঘেরা স্পিন বোলিং নিয়ে। কিন্তু মেন্ডিসের সেই বোলিং রহস্য উদঘাটিত হতে বেশি সময় লাগেনি। আর এর পরই টানা ব্যর্থ মেন্ডিস।

বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানের পরিণতি নিশ্চয়ই মেন্ডিসের মত হবে না। কিন্তু আইপিএলের দুই দল দিল্লি ও পুনের দাবি, তারা মুস্তাফিজের বোলিং রহস্য জেনে ফেলেছে।

তাদের দাবি, জোরালো করে দিয়েছে টানা দুটি ম্যাচ। এই দুই ম্যাচে একটি উইকেটও পাননি তিনি। আগের ম্যাচে পুনের বিরুদ্ধে ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে থাকেন ‍উইকেট শূন্য।

বৃহস্পতিবার দিল্লির বিপক্ষে রীতিমত হতাশার রাত ছিল মুস্তাফিজের। এ ম্যাচে মোটেও সুবিধা করতে পারেননি কাটার বয়। বেশই মার খেয়েছেন। চার ওভার বোলিং করে দিলেন ৩৯ রান। এবারের আইপিএলে এটাই মুস্তাফিজের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলিং। ব্যাটসম্যানরা এদিন সমানে চার-ছক্কা হাঁকালেন তার বলে।

দিন ক’য়েক আগে পুনের কোচ স্টিভেন ফ্লেমিং দাবি করেছিলেন, মুস্তাফিজের বোলিং রহস্যের চাবিকাঠি তারা পেয়ে গেছেন। এই চাবিকাঠির আবিষ্কারক নাকি পুনের অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ। ইনজুরিতে পড়ে আইপিএল ছাড়ার আগে তিনি নাকি মুস্তাফিজের বোলিং সহস্য বলে দিয়ে গেছেন ক’য়েকজনকে। পুনের পর দিল্লি ডেয়ারডেভিলসও জানায়, স্মিথের কাছ থেকেই মুস্তাফিজ-রহস্যের চাবিকাঠি পেয়েছেন তারা।

দিল্লির ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ক্রিস মরিস জানিয়েছেন, মুস্তাফিজের বোলিং তারা গভীরভাবে পড়েছেন। তিনি বলেছেন ‘আমরা অবশ্যই বেশ সময় নিয়েছি। কীভাবে স্মিথ ওকে খেলেছে তা দেখেছি। অশ্বিন ওকে কীভাবে খেলেছে সেটাও দেখেছি, বিশেষ করে ডানহাতি ব্যাটসম্যানরা। আমরা সফলও হয়েছি।’