মেইন ম্যেনু

মৃত ব্যক্তিকে উপদেষ্টা করে যশোর আ’লীগের কমিটি ঘোষণা

এক বছর পর যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় ঠাঁই পাননি আওয়ামী লীগের ৩ জন সাবেক সংসদ সদস্য। একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী এই ৩ নেতার অনুসারীরাও স্থান পাননি কমিটিতে। আর কমিটিতে জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের অনুসারীদের আধিপত্য রয়েছে।

৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অধিকাংশ সদস্য সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী। গত ২০ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদন হলেও প্রকাশ নিয়ে চলছিল লুকোচুরি খেলা। কমিটি অনুমোদনের বিশ দিন পর সোমবার বিকেলে দফতর সম্পাদক মাহামুদ হাসান বিপু গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন অনুমোদিত জেলা কমিটির তালিকা।

২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম মিলনকে সভাপতি ও শাহীন চাকলাদারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা না হওয়ায় পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে নানা জল্পনা কল্পনা শুরু হয়। সর্বশেষ ২০ মার্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সেই কমিটির তালিকা সোমবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন দফতর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু।

জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পাননি যশোর-৩ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটো, সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলী রেজা রাজু, সাবেক এমপি ও সাবেক সভাপতি খান টিপু সুলতান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান আবদার, উপ-দফতর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তুহিন ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ।

তবে বিএনপি জামায়াত পরিবারের সন্তান ওহিদুল ইসলাম তরফদার নতুন কমিটিতে উপ-দফতর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন। তার ভাই ছাত্রদল নেতা ও বাবা স্থানীয় জামায়াত নেতা।

অপরদিকে জেলা কমিটির উপদেষ্টা সদস্য পদ পেয়েছেন মণিরামপুরের মৃত নেতা গোলাম মোস্তফা।

জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছেন যারা। তারা হলেন- সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সহ-সভাপতি শাহ হাদিউজ্জামান, পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য, একেএম খয়রাত হোসেন, সাইফুজ্জামান পিকুল, আবদুল খালেক, মোফাজ্জেল হোসেন খসরু, শেখ আফিল উদ্দিন এমপি ও অ্যাডভোকেট জহুর আহমেদ।

সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, আবদুল মজিদ ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম এমপি।

আইন বিষয়ক সম্পাদক গাজী আবদুল কাদের, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফারুক আহমেদ কচি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মনি, দফতর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মালেক, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুউদ্দেীলা কনক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুখেন মজুমদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া পারভীন ডলি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবু সেলিম রানা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এএসএম আসিফুদ্দৌলা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবীর কবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কাজী আবদুস সবুর হেলাল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী বর্ণ উত্তম, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা.এম এ বাশার।

সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আফজাল হোসেন, মীর জহুরুল ইসলাম, আশরাফুল আলম লিটন, উপ-দফতর সম্পাদক ওয়াহিদুল ইসলাম তরফদার, উপ-প্রচার সম্পাদক জিয়াউল হাসান হ্যাপি ও কোষাধ্যক্ষ মঈনুল আলম টুলু।

কার্য নির্বাহী সদস্যরা হলেন, ইসমাত আরা সাদেক এমপি, কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, আমিরুল ইসলাম রন্টু, এসএম হাবিবুর রহমান, এনামুল হক বাবুল, যোসেফ সুধীন মন্ডল, জহিরুল ইসলাম, জয়দেব নন্দী, প্রভাষক ফারুক হোসেন, ইমাম হোসেন লাল, মোকাররম হোসেন টিপু, নওশের আলী, প্রিন্সিপাল আজগর আলী, এহসানুর রহমান লিটু, শাহারুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা (কাউন্সিলর), নূর জাহান ইসলাম নীরা, নাজমুল ইসলাম কাজল, আমজাদ হোসেন লাভলু, এইচএম আমীর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন, আবদুল মান্নান মিন্নু, কাজী আলমগীর হোসেন আলম, মশিয়ার রহমান সাগর, অ্যাডভোকেট এবিএম আহসানুল হক আহসান, মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স, কবিরুল আলম, শওকত আলী, সফিউদ্দীন অরুণ, দিলীপ কুমার বিশ্বাস, দেলোয়ার হোসেন, মাহাবুবুর রহমান, কাজী শাহীন ও শাহীন সরদার।

উপদেষ্টা পদে অ্যাডভোকেট মঈনুদ্দিন মিয়াজি, নজরুল ইসলাম ঝর্ণা, হায়দার গণি খান পলাশ, গোলাম মোস্তফা, অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান, গোলাম মোহাম্মদ খোকন, মাস্টার রুহুল আমিন, জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, সৈয়দ ওসমান মঞ্জুর জানু, ফিরোজ ইকবাল, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম, এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু, গোলাম রসুল, প্রণব ধর, জয়নাল আবেদিন।