মেইন ম্যেনু

মেট্রো স্টেশনে থামের আড়ালে ও কে…

ভূতের ভবিষ্যৎ বোধহয় খারাপ নয়। কারণ এবার নাকি ভূতের দেখা মিলেছে রবীন্দ্রসরোবর স্টেশনে! শেষ মেট্রো চলে যাওয়ার পর সাদা শাড়ী পড়া এক মহিলাকে স্টেশনে ঘোরাঘুরি করতে নাকি দেখা গিয়েছে। আর তা নাকি ধরা পড়েছে স্টেশনে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে! আর সেই চাঞ্চল্যকর ফুটেজ আমজনতার কাছে পৌঁছে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। আর তা যখন একবার সোশ্যাল মিডিয়াতে পৌঁছে গিয়েছে, তা ভাইরাল হতে কি বেশি সময় লাগে! ক্রমশ হোয়াটস অ্যাপ-ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে সেই ছবি। যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্টেশনের সামনের একটি থামের আড়াল দিয়ে ‘টুকি’ দিচ্ছে এক মহিলা! আর সেই ছবি কেউ কেউ আবার ফেসবুক আপলোড করে সঙ্গে সঙ্গে স্ট্যাটাস দিতে শুরু করেদিয়েছেন, যে নাকি feeling afraid। কেউ কেউ আবার দিচ্ছেন feeling কেমন ভূত ভূত ব্যাপার। কেউ কেউ তো আবার ভুতের ছবি দেখে ‘অজ্ঞান’ হয়ে যাচ্ছেন!

কিন্তু আদৌতে কি সত্যিই এমন কিছু হয়েছে? অনেকের বলছেন, কলকাতা শহরের বেশ কয়েকটি বাড়ি কিংবা ভবন রয়েছে যেখানে নাকি রাত হলেও ভুতেদের আনাগোনা হয়। অনেকে তো আবার এমনও রয়েছেন যে রাত হলেই সেই সব জায়গাতে ভূত খুজতে বেরোন। যদিও ভূতের দেখা পেয়েছেন কিনা তা অবশ্য ভূতপ্রেমীরাই বলতে পারবেন। সে যাই হোক না কেন, সেই সমস্ত ভূতপ্রেমীদের মতে, ওই ভবনগুলির মধ্যে নাকি রয়েছে কলকাতা মেট্রোও! তাহলে আর কি? ভূতপ্রেমীদের স্বপ্ন বাস্তব করে সিসিটিভিতে ধরা দিলেন তিনি! কিন্তু মেট্রোর আধিকারিকদের মতে, এমন কিছুই ঘটেনি। সবটাই নাকি কারসাজি। তাঁদের সঙ্গে সহমত বিজ্ঞান সচেতন সমিতিও। কারণ তাঁদের দাবী, এই সব কিছুই নেই। সবটাই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা। তাঁদের মতে, কেউ বা কারা পুরোপুরিভাবে বিষয়টি ফটোশপ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছেড়ে দিয়েছে। আর ব্যাস কেল্লা ফতে, তা সবার কাছে পৌঁছে যেতে যেটুকু সময় লাগছে আর কি?

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে ভূত! ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে ভূত!

bhut-1
ছবিটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন চিত্র সাংবাদিকরাও! তাঁদের মতে, এমন ছবি ফটোশপে তৈরি করা জাস্ট চুটকির খেলা। শুধু এজন্যে প্রয়োজন মেট্রো স্টেশনের একটি ছবি। আর এমন ভূতের ছবি গুগলে সার্জ করলে হাজারো একটা পাওয়া যায়। ব্যাস ফটোশপ খুলে স্টেশনের ছবিটির উপরে ফেলে দিন আর একটু opacity কমিয়ে দিন, ব্যাস স্টেশন কেন যে কোনও জায়গায় ভূত দেখতে পাবেন!কলকাতা২৪।

bhut-2