মেইন ম্যেনু

মেদ কমায় লাল মরিচ!

লাল মরিচ ঝালে ভরপুর একটি খাবার। খাবারের স্বাদ বাড়াতে এবং খাবারকে রঙিন করতে লাল মরিচের জুড়ি নেই। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপসেচিন, ভিটামিন-সি, এ, বি৬ ও ই, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, আয়রন, ফ্লাভোনেয়ড ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

লাল মরিচের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। তবে বেশি মরিচ খেলে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা হতে পারে। তাই মরিচ খাবেন, তবে পরিমিত।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি জানিয়েছে লাল মারিচের স্বাস্থ্যকর গুণের কথা।

লাল মরিচ গাঁটব্যথা কমায়। এর মধ্যে থাকা উপাদান ক্যাপসেচিনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী বিষয়। এটি গাঁটব্যথা দূর করে এবং প্রদাহ কমায়।

লাল মরিচ ঠান্ডা প্রতিরোধে কাজ করে। সর্দি-কাশি প্রতিরোধে লাল মরিচ বেশ উপকারী। এটি নাকের বন্ধ ভাব কমায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা প্রতিরোধ করে লাল মরিচ। লাল মরিচ শরীরের বিভিন্ন জায়গার ব্যথা দূর করতে কাজ করে। এর মধ্যে থাকা উপাদান ক্যাপসেচিনের মধ্যে রয়েছে ব্যথা রোধ করার উপাদান। এটি মাইগ্রেনের কারণে হওয়া মাথাব্যথা প্রতিরোধে করে।

ত্বকের রোগ সোরিয়াসিসে ভালো কাজ করে লাল মরিচ। সোরিয়াসিস এমন একটি রোগ, যা সাধারণত সারে না। এই রোগে ত্বকের মধ্যে মাছের আঁশের মতো হয়। তবে কিছু জিনিস রয়েছে, যেগুলো সোরিয়াসিস কমিয়ে রাখতে পারে। মরিচে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। এটি সোরিয়াসিসের লক্ষণগুলো কমাতে কাজ করে।

লাল মরিচ দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। লাল মরিচ মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে। এটি মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করতে কাজ করে। এটি দাঁতে ব্যথা, মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির রক্তপাত প্রতিরোধে কাজ করে। এক থেকে দুই ফোঁটা লাল মরিচের গুঁড়া নরম ব্রাশে লাগান। এটি দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এটি করতে পারেন।

এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় বলা হয়, লাল মরিচ শরীরে মেদ জমতে দেয় না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন লাল মরিচ। তবে খেয়াল রাখবেন, কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়, লাল মরিচের যত ভালো গুণ থাকুক না কেন, সেটা খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন।