মেইন ম্যেনু

মেসিদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন চিলি

২০১৪ বিশ্বকাপের পর ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকার পর ২০১৬ কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরের ফাইনালে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হল মেসির আর্জেন্টিনাকে। ফাইনালে মেসি-আগুয়েরোদের কাঁদিয়ে টানা দ্বিতীয় বারের মত শিরোপা ঘরে তুললো চিলি। আর ২৩ বছরের শিরোপা খরার যন্ত্রণা আরও বাড়ল মেসিদের।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে জ্বলে উঠতে পারেনি কোনো দলেরই আক্রমণভাগ। এর মধ্যে ম্যাচের ২১ মিনিটে গারি মেদালের ভুলে গোলে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন হিগুয়েন। গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভোকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন নাপোলির এই তারকা।

এর তিন মিনিট পর মেসির ফ্রি-কিকে ওতামেন্দির হেড একটুর জন্য বাইরে দিয়ে যায়। আর ২৮মিনিটে মেসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় মার্সেলো দিয়াসকে। ব্রাজিলের রেফারির এই সিদ্ধান্তকে বেশি কঠোরই মনে হয়েছে। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ডি-বক্সে ডাইভের জন্য মেসিকেও দেখতে হয় হলুদ কার্ড। বিরতির কিছু আগে আর্তুরো ভিদালকে ফাউলের জন্য আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার মার্কাস রোহোকে সরাসরিই লাল কার্ড দেখিয়ে দেন রেফারি। ফলে গোল শূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে ভারগাসের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান রোমেরো। এটাই ছিল চিলির প্রথম আক্রমণ। পাঁচ মিনিট পর ডি-বক্সের ভেতর থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন আগুয়েরো। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে গোল করতে ব্যর্থ হন সানচেস। পাল্টা আক্রমণে মেসি বল নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের নবম মিনিটে ভারগাসের ডাইভিং হেড ঠেকান রেমেরো। পরের মিনিটে আগুয়েরোর হেড আঙুলের ছোঁয়ায় ক্রসবারের উপর দিয়ে সেভ করেন ব্রাভো। নির্ধারিত আর অতিরিক্ত সময় ছিল গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে।

টাইব্রকারে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি-বিগলিয়ার গোল করতে ব্যর্থ হলে ৪-২ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বারের মতো কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতলো চিলি।