মেইন ম্যেনু

মেহেন্দিগঞ্জে প্রতারনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণের চেক উত্তোলণ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিল থেকে অসহায় দরিদ্র সাকিলের চিকিৎসার জন্য প্রেরিত ৩০ হাজার টাকার চেক প্রতারনার মাধ্যমে উত্তোলণ করে নিয়েছে সেলিম সিকদার নামের এক প্রতারক। সোমবার দুপুরে প্রকৃত ব্যক্তি চেক উত্তোলন করতে আসলে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পরে। ফলে দরিদ্র সাকিলের চিকিৎসা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জেলার একমাত্র দ্বীপ উপজেলা মেহেন্দীগঞ্জ পৌর এলাকার বদরপুর মহল্লার।

জানা গেছে, ওই মহল্লার বাসিন্দা দিনমজুর সেলিম সিকদারের পুত্র সাকিল সিকদার দীর্ঘদিন থেকে চোখের সমস্যাসহ বিভিন্নরোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। অতিসম্প্রতি দিনমজুর সেলিম সিকদার পুত্রের চিকিৎসার জন্য সহযোগীতা চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিল থেকে ৩০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়। উক্ত অনুদানের ইস্যুকৃত চেক জেলা শিক্ষা ও কল্যাণ শাখায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সোমবার উত্তোলন করতে আসেন দিনমজুর সেলিম সিকদার।

এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে জানতে পারেন পৌর এলাকার খরকি মহল্লার মৃত ওহাব আলী সিকদারের পুত্র সেলিম সিকদার প্রতারনার মাধ্যমে ইস্যুকৃত চেক উত্তোলন করে নিয়েছেন। এ খবর শুনে পুত্র সাকিলের চিকিৎসার কথা ভেবে দিনমজুর সেলিম সিকদার কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।

সূত্রমতে, খরকি মহল্লার সেলিম সিকদার প্রতারনার মাধ্যমে বদরপুর মহল্লার বাসিন্দা দেখিয়ে পৌরসভা থেকে নাগরিক সনদপত্র উত্তোলন করে উক্ত অনুদানের ৩০হাজার টাকার চেক উত্তোলন করে নিয়েছে। এ ব্যাপারে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতারনার মাধ্যমে নাগরিক সনদপত্র উত্তোলনের পর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণের চেক উত্তোলনের বিষয়ে খরকি মহল্লার সেলিম সিকদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা শিক্ষা ও কল্যাণ শাখার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুমানা আক্তার বলেন, পৌরসভার নাগরিক সনদসহ কাগজপত্র নিয়ে এক সেলিম সিকদার চেক নিয়ে গেছেন। পরে আরেক সেলিম সিকদার কাগজপত্র নিয়ে আসলে প্রতারনার বিষয়টি ধরা পরে। তাৎক্ষনিক মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রকে বিষয়টি দেখার জন্য বলা হয়েছে।