মেইন ম্যেনু

মেয়ে হয়ে জন্মানোর ১৫টি চমৎকার সুবিধা!

অনেক মেয়েকে বলতে শুনা যায়, আমি যদি ছেলে হতাম! তাহলে এই এই কাজগুলো করতে পারতাম। কিন্তু মেয়ে হওয়ার কারণে তা আর করতে পারছি না। কারণ আমাদের সমাজে একটা ছেলের তুলনায় একটা মেয়েকে অনেক রকমের বাঁধা পেরিয়ে বড় হতে হয়। তাছাড়া একটা পরিবারে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদেরকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তবে যাই হোক না কেন, মেয়েদেরও এমস কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো দেখলে অনেক ছেলেরই হিংসা হতে পারে। আর তখন মনে মনে বলতেও পারেন হায়রে আমি যদি মেয়ে হতাম তাহলে তো এই কাজগুলো আমিও করতে পারতাম। তাহলে জেনে নেয়া যাক মেয়ে হওয়ার এমন ১৫টি সুবিধার কথা।

১. মেয়েদের মত এমন সাজুগুজু করার অধিকার কোনো ছেলেরই নেই।

২. ভ্রু প্লাক করা ছেলে দেখেছেন কখনো? এমন কথা ভাবাই যায় না।

৩. যখন তখন ‘ভ্যাঁ’ না করেও কেঁদে ফেলা যায়। এক কথায় চোখ টিপলেই পানি বেরহয়।

৪. বাসে বা ট্রেনে আলাদা সিটের ব্যবস্থা তো রয়েছেই, আবার এখন মহিলাদের জন্য গোটা একটা লেডিস লোকাল বাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

৫. বড় চুল, আর তাতে ফুল ঝোলাতে পুরুষদের কি কখনো দেখতে পাওয়া যায়? এমন কথা চিন্তাও করা যায় না।

৬. মেয়েরা শর্ট প্যান্ট পরলে লোকে দেখলে বলে ও মেয়েটাকে দেখতে কি ‘হট’ লাগে। আর ছেলেরা যদি শর্ট প্যান্ট পরে তাহলে ‘ছিঃ’ ছেলেটা অনেক খারাপ হেয়ে গিয়েছে।

৭. গয়না মানেই তো মেয়েদের। ছেলেদের জন্য গয়না চিন্তাও করা যায় না।

৮. কোনো ছেলের দিকে কোনো মেয়ে তাকিয়ে হাসলে নিশ্চিত মেয়েটিকে ‘অসভ্য’ কথাটি শুনতে হবে না। কিন্ত কোনো মেয়ের দিকে তাকিয়ে কোনো ছেলে যদি এমন কাজ করে তাহলে তাকে জেলে পর্যন্ত যেতে হতে পারে।

৯. ভ্যালেনটাইস ডে থেকে মাদার্স ডে সব জাগায় মেয়েদের উপহার পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি পরিমান। আর ছেলে তো দিয়েই যাবে পাওয়ার চিন্তাও করতে পারেন না।

১০. ছেলেদের তুলনায় একটা মেয়ে অনেক অনেক বেশি সহানুভূতি পেয়ে থাকে।

১১. ছেলেদের তুলনায় আবার মেয়েদের গড় আয়ুও বেশি হয়ে থাকে।

১২. দু’টি মেয়ের গভীর বন্ধুত্ব খুব স্বাভাবিক ঘটনা। কেউ খারাপ কিছু ভাবতেই পারবে না। কিন্তু দু’টি ছেলের এমন বন্ধুত্ব বর্তমানে অনেকের দৃষ্টিতেই খারাপ মনে হতে পারে।

১৩. মেয়েদের কেউ ‘মেয়েলি’ বলে নিন্দা করে না। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে এটা হরহামেশায় শুনতে পাওয়া যায়।

১৪. সাধারণত মেয়েদের উপরে সাফল্য পাওয়ার চাপ কম থাকে।

১৫. চাইলে ঘর-সংসার সামলেই জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে সেটা কখনোই সম্ভব নয়। কারণ তাকে সংসার চালানোর জন্য অর্থ উপার্জন করতে হবে।