মেইন ম্যেনু

মোটরসাইকেল আতঙ্ক, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

মোটরসাইকেলে একের অধিক আরোহী যেন এক নতুন আতঙ্কের নাম। রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি হত্যার ঘটনায় খুনীরা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছে মোটরসাইকেল।

বুধবার (৮ জুন) রাজধানীর গুলিস্তান, পল্টন, কাকরাইল, শাহবাগ, ফার্মগেটসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সার্জেন্ট ও ট্রাফিক পুলিশকে লাইসেন্সবিহীন সিএনজি, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল চেক করতে দেখা গেছে।

বিদেশি হত্যা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি হত্যার ঘটনায় দ্রুত বাহন হিসেবে মোটরসাইকেল ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তাই তারা নজরধারী বাড়িয়ে দিয়েছে মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহনগুলোর দিকে।

অভিযানে হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো নিষেধ থাকায় বিজয়নগর মোড়ে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল আটক করে ট্রাফিক পুলিশ। এসময় মোটরসাইকেলের এক চালককে বাসা থেকে হেলমেট নিয়ে এসে তারপর আটক মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে দেখা যায়। অন্য যানগুলোর মালিকদের নামে কেস লিখে ছেড়ে দেয়া হয়।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মোটরসাইকেল আরোহী অভিযোগ করে বলেন, ‘হেলমেট ভুল করে ফেলে আসায় আমাকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হলো। চেক করছে ভালো কথা, তবে সেটা যদি পুলিশের টাকা ইনকামের মাধ্যম হয় তাহলে, জনগণ ভোগান্তিতে পড়বে।’

নানা মহল থেকে তদরির আসবে এ ভয়ে আগে পুলিশ মোটরসাইকেল ধরতো না। তবে এখন আর কোনো ছাড় দেবে না পুলিশপ্রশাসন। একের অধিক আরোহীসহ সঠিক কাগজপত্র, হেলমেট না থাকলে আটকে দেয়া হবে এসব মোটরসাইকেল।