মেইন ম্যেনু

মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েই পাকিস্তানে এসেছিল জিম্বাবুয়ে !

সেই ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার টিম বাসে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল। কোনো দলই দেশটিতে খেলতে আসতে রাজি হচ্ছিল না। হঠাৎ করেই এবার পাকিস্তান সফরে আসার কথা জানায় জিম্বাবুয়ে। ৬ বছর পর প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দল হিসেবে কদিন আগে পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ খেলে গেছে জিম্বাবুইয়ানরা।

তবে শুধু সিরিজ খেলতেই এই সফরে আসেনি জিম্বাবুয়ে। তার পেছনে ছিল মোটা অঙ্কের টাকার হাতছানিও। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকে আর্থিক নিশ্চয়তা নিয়েই সফরে আসতে রাজি হয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড়রা। জিম্বাবুয়ের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে সাড়ে ১২ হাজার ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছিল পিসিবিকে।

ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘ক্রিকইনফো’ তাদের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। সফরের আগে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটকে (জেডসি) ৫ লাখ ডলার দিতে হয়েছে পিসিবির। খেলোয়াড়দের অর্থ ওটার মধ্যেই ছিল। পিসিবি অবশ্য জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ও তাদের খেলোয়াড়দের অর্থ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সফরে আসার জন্য জিম্বাবুয়ের প্রতিটা খেলোয়াড়কে প্রথমে ১০ হাজার ডলার করে দিতে চেয়েছিল পিসিবি। তবে তাতে বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই রাজি ছিলেন না। নিরাপত্তার জন্য এই অর্থ যথেষ্ট মনে করেননি তারা। সিরিজের প্রথম ওয়ানডের আগে হঠাৎ করে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান বাতিল করার কথাও বলেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে নিরাপত্তা নয়, অর্থের বিষয়টাই এটার মূল কারণ ছিল। পরে আলোচনার মাধমে পিসিবির সঙ্গে সমঝোতা হয় তাদের।

খেলোয়াড়দের অর্থ অবশ্য দুই ভাগে দেওয়ার কথা। সফরে আসার আগে ও সিরিজ শেষ হলে। যে কারণে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের সময় লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের বাইরে বোমা বিস্ফোরণের পরও তৃতীয় ওয়ানডে খেলতে রাজি হয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড়রা।

পাকিস্তান সফরে এসে খেলোয়াড়রা যে অর্থ পাচ্ছেন, তা তাদের মাসিক বেতনের অর্ধেক। খেলোয়াড়রা মাসে বেতন পান সর্বোচ্চ সাড়ে ছয় হাজার ডলার। যেখানে এক সফরেই তারা পকেটে পুরছেন সাড়ে ১২ হাজার ডলার! এমন সুযোগ কে বা হাতছাড়া করেন!