মেইন ম্যেনু

মৌলভীবাজারে আসতে শুরু করেছেন অতিথিরা

বাংলাদেশের একমাত্র পর্যটন জেলা ও চা শিল্পাঞ্চল মৌলভীবাজারে এখন শীতের আমেজ বিরাজমান। অঞ্চলজুড়ে হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হচ্ছে। আর এ শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে হাওর ও বিলগুলোতে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা।

ইতোমধ্যে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি (বড়লেখা,জুড়ী,কুলাউড়া) ও শ্রীমঙ্গলের বাইক্কা বিলে আসতে শুরু করেছে সুদূরের ল্যাঞ্জা হাঁসসহ নানা কতুক বর্ণের অতিথি পাখিরা। তাদের এই আগমনকে বরণ করে নিয়েছে এখানকার জলজ প্রকৃতি।

মৌলভীবাজারের পর্যটন প্রান কেন্দ্র শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা এখন ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করেছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ক’দিন ধরে শ্রীমঙ্গলে চলতি শীত মৌসুমে এখন পর্যন্ত এটিই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র অবজারভার মো. হারুনুর রশিদ।

শীতের এ আগমনের সঙ্গে দ্রুত বদলে যাচ্ছে এখানকার প্রকৃতির রূপ। প্রতি বছরের মতো এবারও হাকালুকি ও বাইক্কা বিলে সুদূর সাইবেরিয়া, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ অঞ্চলসহ বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে অতিথি পাখিরা আসতে শুরু করেছে। অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠতে শুরু করেছে পর্যটন জেলার পর্যটন বিল ও হাওরগুলো।

hakaluki

বড়গাংগিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠনের (আরএমও) সদস্য এবং পাখি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের পর্যবেক্ষক মিরাশ মিয়া জানান, পরিযায়ী পাখির মধ্যে শুধু উত্তুরে ল্যাঞ্জা হাঁস আমার চোখে পড়েছে। এর মানে ওরা সুদূরের উত্তরের দেশগুলো থেকে চলে এসেছ বাইক্কা বিলে।

তিনি বলেন, দেশের আবাসিক পাখির মধ্যে বালি হাঁস,পাতি সরালি, বেগুনি কালেম, প্রভৃতি প্রজাতির হাঁস এসে জড়ো হতে শুরু করেছে। তবে বিল পরিষ্কার থাকায় পাখিগুলো বিলে নামলেও বেশি সময় অবস্থান করছে না। আরো সপ্তাহখানেক পর থেকে হয়তো তারা বিলে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে শুরু করবে।

মিরাশ মিয়া আরো বলেন, আর ক’দিনের মধ্যেই এ বাইক্কা বিল হাজার হাজার অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠবে।