মেইন ম্যেনু

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তনুর বাবার উকিল নোটিশ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার আলামত গোপন করার অভিযোগে তার বাবা ইয়ার হোসেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ মোহসিন-উজ-জামান চৌধুরী, ফরেনসিক বিভাগীয় প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা এবং তনুর প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শারমিন সুলতানার কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশ প্রাপ্তির কথা নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও দ্বিতীয় ময়নাতদন্তকারী ৩ সদস্যের চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা।

জানা গেছে, তনু হত্যা মামলার বাদি বাবা ইয়ার হোসেনের পক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী নোটিশটি পাঠিয়েছেন। এতে তনুর মরদেহ প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত না পাওয়া ও দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রদানে কালক্ষেপণ করায় কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইয়ার হোসেন জানান, পরিকল্পিতভাবেই তনুর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সত্য আড়াল করা হচ্ছে, তাই ন্যায় বিচারের স্বার্থে আইনি লড়াই করে যাবেন।

গত ২০ মার্চ তনুর মরদেহ কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে নিজ বাসার পার্শ্ববর্তী একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরদিন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. শারমিন সুলতানা তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত করেন। ডিএনএ আলামত সংগ্রহের জন্য মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী সংস্থা ডিবি’র আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ আলামত সংগ্রহ করে। গত ৪ এপ্রিল তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেয়া হয়। এতে তনুকে হত্যা কিংবা ধর্ষণের আলামত ছিল না বলে জানানো হয়। কিন্তু গত ৫৬ দিনেও নানা অজুহাতে দেয়া হয়নি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট।

এরই মধ্যে ডিএনএ রিপোর্টে তনুকে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার খবর সিআইডি থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হলে এ নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়।