মেইন ম্যেনু

বিএনপি’র প্রতি আর্শ্চয ভালবাসা ফজলু ইসলামের

যতদিন বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবে না তদদিন পায়ে সেন্ডেল দিবো না

বিএনপির প্রতি এ কেমন ভালবাসা দেখাচ্ছেন ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল উপজেলার সন্ধারই (সাতঘরিয়া) গ্রামের ফজলুল হক(৪৫) । ফজলুল ইসলাম নিয়ত করেছেন যতদিন বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব না পাবে ততদিন পায়ে সেন্ডেল পড়বে না। কনকনে শীত শরীরের হাড় মাংসসহ শীতে জবুথবু মানুষ, প্রত্যেক মানুষেই ঠান্ডার অতিরিক্ত কাপড় পড়ছেন,পায়ে ঠান্ডা নিবারণের জন্য জুতার পাশাপাশি ডবল মুজা পড়ছেন, অথচ ফজলু ইসলাম হেটে চলছেন খালি পায়ে অবাক রানীশংকৈল বাসী।
এমন ভালবাসা হওয়ার কারণ ফজলু ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আওয়ামীলীগের দুশাঃসনের এবং অবৈধ ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে আবার ক্ষমতায় আসার প্রতিবাদ হিসেবে আল্লাহর কাছে নিয়ত করেছি যে, যতদিন না শহীদ সফল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল অথ্যাৎ আমার প্রিয় দল বিএনপি ক্ষমতায় না আসবে ততদিন আমার যতই কষ্ট হোক আমি পায়ে সেন্ডেল পড়বো না।
আপনার পায়ে ঠান্ডা লাগে না প্রশ্ন করলে তিনি জবাবে বলেন, আমি বাঙ্গালী, আমি মুসলিম আমি একবার মরি দুই বার না,যেহেতু আমি রক্তে মাংসে গড়া মানুষ ঠান্ডাতো অব্যশই লাগবে। আর এই প্রখর ঠান্ডা মোকাবেলা করাই তো আমার এই সরকারের অন্যয় জোর করে ক্ষমতায় আসার প্রতিবাদ।
ফজলুল ইসলামের নিজের ভিটে মাটি ছাড়া তেমন কিছুই নেই,মানুষের বাড়ি জন দিয়ে স্ত্রী ও ২সন্তানকে নিয়ে কোনমত সংসার চালান, ফজলুল ইসলামের ২ ছেলের মধ্যে একজন পড়ে ৮ম শ্যেণীতে আরেক জন পড়ে ৫ম শেণীতে। এ বিষয়ে ঐ এলাকার রেজাউল বলেন,এই মানুষটিকে আমরা গত ২ বছর ধরে দেখছি তিনি সব সময় খালি পায়ে হাটা হাটি করেন। আমরা অনেক অনুরোধ করেও তাকে পায়ে জুতা পড়াতে পারছি না। এছাড়ারাও অভিযোগ রয়েছে শাসকদলের লোকজন তাকে যখন তখন, জেল জুলুমের ভয় দেখান তাতেও তিনি কোন কর্ণপাত করেন না।
ফজলু ইসলামের বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে কার সাথে ভাল যোগাযোগ প্রশ্নে তিনি বলেন, শিবদিঘীর ছাত্রদল নেতা বকুল মজুমদারের সাথে আমার ভাল যোগাযোগ। তিনি আমার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখেন আমার বিপদে আপদে পাশে দাড়ান, তবে ফজলুল ইসলামের ইচ্ছা বিএনপির কাছে তার কোন চাওয়া পাওয়া নাই শুধুমাত্র একবার বিএনপি’র চেয়ারপার্সন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে চান।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক এম আর বকুল মজুমদার ঘটনার সত্যতা সীকার করে বলেন, বিএনপির ভক্ত ফজুলল ইসলাম বিএনপির জন্য স্বেচ্ছায় যে কষ্ট স্বীকার করছেন তার ঋণ হয়তো বা বিএনপি কখনো শোধ করতে পারবে না, তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাকে সাধ্যমত সহযোগিতা করে আসছি এবং আসবো।
ঠাকুরগাও জেলা বিএনপি’র যুগ্ন সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, আমি এই সংবাদটি শুনেছি, আমি শুধুমাত্র তার সাথে দেখা করার জন্যই রানীশংকৈলে তার বাড়িতে শ্রীঘই যাবো।