মেইন ম্যেনু

যত্নে থাকুক শখের শাড়ি

শাড়ি ছাড়া বাঙালি নারী অসম্পূর্ণ। শখ করে শাড়ি পরেননি এমন বাঙালি নারী খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শখের পোশাকটি অযত্নে ফেলে রাখলে টিকবে না খুব বেশি দিন। তাই প্রিয় শাড়িটি অনেকদিন পর্যন্ত ভালো রাখার জন্য চাই বাড়তি যত্ন। শাড়ির যত্নে জানা থাকা চাই সঠিক উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-

শাড়ির ভাঁজে ন্যাপথলিন, কালোজিরা, নিমপাতা ইত্যাদি দিয়ে রাখুন, এতে পোকায় কাটবে না। আলমারি বা ট্রাংক যেখানেই শাড়ি রাখুন না কেন, তা যেন ফুটো না হয় নতুবা তেলাপোকা বা ইঁদুরে কাটতে পারে শাড়ি।

কাপড় রাখার স্থানটি শুকনো হওয়া আবশ্যক, নতুবা ছত্রাক সংক্রমণের ভয় থাকে। ব্যবহৃত শাড়ি ৩ মাস অন্তর ও অব্যবহৃত শাড়ি ৬ মাস অন্তর বের করে ধুতে হবে।

বাইরে থেকে এসে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে শাড়ির ঘাম শুকিয়ে নিন, নতুবা দাগ পড়তে পারে। শাড়ি রাখার আলমারি শাড়ি রাখার পূর্বে অবশ্যই ঝেড়ে মুছে নেবেন।

কাঠের আলমারিতে শাড়ি রাখলে তা মাঝে খেয়াল করতে হবে আলমারি ঘুণে ধরেছে কি-না, নতুবা শাড়ি কেটে যেতে পারে। স্টিলের আলমারিতে যেন মরিচা না পড়ে, তাতে শাড়ি নষ্ট হয়। শাড়ি সঠিক নিয়মে ধোবেন।

জর্জেট ও শিফন শাড়ি ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন, চিপবেন না, শুকালে শাড়ি রোল করে রাখুন, এবং অবশ্যই এই শাড়িগুলোতে নিম পাতা বা কালো জিরা দিয়ে রাখুন।

মসলিন বা কাতান শাড়ির ক্ষেত্রে অবশ্যই সাদা কাগজ ব্যবহার করবেন এবং ড্রাই ওয়াশ না করে পলিশ বা কাঁটা ওয়াশ করানোই ভালো। সুতি শাড়ি ইস্ত্রি করে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে তুলে রাখুন, অনেকদিনের জন্য রাখতে হলে মার এড়িয়ে যান।