মেইন ম্যেনু

যানজটের অন্যতম কারণ পুলিশের চাঁদাবাজী

ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের কষ্টের কারণ একটাই, তা হলো যানজট। আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ পথে পথে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজী।

যানবাহন চালকরা জানান, কাগজপত্র চেকের নামে মহাসড়কে যানবাহন দাঁড় করিয়ে চাঁদা আদায় করছে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা। বিশেষ করে কুমিল্লার সেনানিবাস এলাকার মতো ব্যস্ততম জায়গায়ও গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করার নামে এ ধরনের চাঁদাবাজী করছে পুলিশ।

চালকরা বলেন-এ এলাকাটি এমনিতেই সরু। এখানে হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব যানবাহন দ্রুত পারাপারে সহায়তা করা অথচ যানবাহন থামিয়ে রেখে উল্টো যানজট সৃষ্টি করাটা অতি দুঃখজনক।

কুমিল্লার বিভিন্ন পয়েন্টে আজও যানবাহনের চাপ রয়েছে। বুধবার ভোর থেকে মহাসড়কের পদুয়ারজাজার, চান্দিনা, দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, সুয়াগঞ্জ, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রামে যানবাহনের বেশ চাপ রয়েছে। তবে গাড়ি চেকিংয়ের নামে ব্যস্ত মহাসড়কে গাড়ি থামিয়ে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজীর কারণে কুমিল্লা সদর উপজেলার আলেখারচর থেকে ক্যান্টনমেন্ট হয়ে নিমসার বাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহনের চাপ রয়েছে। ফলে থেমে থেমে চলছে যানবাহন।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল আউয়াল জানান, পদুয়ারবাজার থেকে ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত যানবাহনগুলো থেমে থেমে চলতে হচ্ছে। তাই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগছে।

তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার থেকে ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থাকলেও তা চলছে অবাধে। এদিকে, মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে যানজটমুক্ত রাখতে হাইওয়ের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করে যাচ্ছে।