মেইন ম্যেনু

যানজটে যাত্রীদের দুর্ভোগ, মরছে কোরবানির গরু

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের চন্দ্রা মোড় থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপার পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার সড়কে খন্ড খন্ড যানজটের দৃশ্য চেখে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। গরুবোঝাই ট্রাক যানজটে আটকা পড়ায় অনেক গরু অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই যানজট শনিবার বেলা ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই মহাসড়কে গাড়িগুলো থেমে থেমে চলছে।

শনিবার সকালে মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর বাইপাস, কুর্নী, শুভুল্যা, পাকুল্যা ও জামুর্কীসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে গরুবোঝাই ট্রাক, বাসের ভেতরে ও ছাদে যাত্রী নিয়ে শত শত যানবাহন মহাসড়কের দুই দিকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠাই দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকায় যানজটে আটকা পড়া বাসযাত্রী শাহ আলম জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায় তিনি মির্জাপুর পৌছেছেন।

দিনাজপুর থেকে ট্রাকে গরু নিয়ে ঢাকার আসছেন রহম আলী। দীর্ঘ যানজটে পড়ে ইতোমধ্যে তার দুইটি গরু মারা গেছে বলে তিনি জানান।

মির্জাপুরের গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও দেওহাটা গরুর হাটের ইজারাদার কামারুজ্জামান বলেন, শুক্রবার দেওহাটা থেকে মোটরসাইকেলে পেট্রল ভরার জন্য ধেরুয়া যাওয়ার পথে তিনি মহাসড়কের সাইটের বিভিন্ন অংশে তিনটি মরা গরু পড়ে থাকতে দেখেছেন।

গরুবোঝাই ট্রাক যানজটে আটকা পড়ায় অসুস্থ হয়ে ওই গরুগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাইন উদ্দিন ও হাইওয়ে থানা ওসি খলিলুর রহমান বলেন, মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, পুরাতন ও দুর্বল যানবাহনগুলো রাস্তার ওপর নষ্ট হয়ে পড়া, ওভারটেকিং ও দুর্ঘটনার কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে এই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে যানবাহন সচল রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।