মেইন ম্যেনু

যুক্তরাষ্ট্রকে বেকায়দায় ফেলবে রাশিয়া

ওয়াশিংটন থেকে রাশিয়ার ৩৫ কূটনীতিককে বহিষ্কারের জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছে দেশটি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার ‘হস্তক্ষেপ’ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ৩৫ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এ ঘটনায় ক্রেমলিনের প্রতিক্রিয়ায় বেকায়দায় পড়বে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে তিনি এ ইঙ্গিতও দিয়েছেন যে, রাশিয়া হয়তো ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্বে নেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছে- এমন অভিযোগের সঙ্গে একমত নন ট্রাম্প।

বিষয়টির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে রাশিয়ার। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন বলেও প্রচার করছে তারা।

বৃহস্পতিবার মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাস এবং সান ফ্রান্সিসকো কনস্যুলেটের ৩৫ কূটনীতিককে ‘অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি’ আখ্যায়িত করে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ও তাদের পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।

রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ এবং রাশিয়ান ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসসহ (এফএসবি) নয়টি সংস্থার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

রুশ গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করতো নিউইয়র্ক এবং মেরিল্যান্ডের এমন দুটি কমপাউন্ডও বন্ধ করে দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং হিলারি ক্লিনটনের প্রচারণায় চালানো হামলা রুশ নির্দেশনায় হয়েছিল- এমন অভিযোগ তুলে এর জন্য ব্যবস্থা নেয়ার কথা আগেই বলেছিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘোষণা আসার পর ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, নিঃসন্দেহে, রাশিয়ার তরফ থেকে এর সমুচিৎ জবাব দেয়া হবে, আর তাতে বেকায়দায় পড়বে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে রাশিয়া তড়িঘড়ি করবে না বলেও জানিয়ে পেসকভ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আসন্ন পরিবর্তন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে তারা।

পেসকভ বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত ওবামার, কিন্তু তিন সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছেন ট্রাম্প। এ বিষয়টিকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

ঘটনার পর যুক্তরাজ্যের রুশ অ্যাম্বাসি ওবামাকে নিয়ে ঠাট্টা করে একটি টুইট করেছে; ‘ওবামা প্রেসিডেন্সি’ ব্যর্থ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই টুইটে।