মেইন ম্যেনু

“যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী-এমপি বানানোয় খালেদার বিচার হবে”

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে সম্মান জানানোর কারণে একদিন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ারও বিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ‘একাত্তরে যেসব অপরাধ হানাদার-রাজাকাররা করেছিল, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে সে অপরাধগুলোই করেছে। খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে সম্মান দিয়েছে। এর দায় খালেদাকে নিতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের সম্মান জানানোয় একদিন তারও বিচার হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউট অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর হয়েছে আর যাদের বিচার কাজ চলছে খালেদা জিয়া তাদের সম্মান দিয়েছেন। আর এসব অপরাধীদের সম্মান জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে সাবেক সেনা প্রধান ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান।’ এসময় জিয়াউর রহমান ও এরশাদকে অবৈধ রাষ্ট্রপতি বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘জিয়া ও এরশাদ যে অবৈধ সরকার ছিল, হাইকোর্ট সে রায় দিয়েছে। উচ্চ আদালতের রায় যারা সম্মান করে তাদের এটা খেয়াল রাখা উচিৎ।’ এসময় মুক্তিযুদ্ধের আগেরকার বাংলাদেশের অবস্থা ও যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা এ দেশের মানুষকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। যাদের বেঁচে থাকার কোনো অবস্থায়ই ছিল না। ৭১ এর আগে গ্রামে গঞ্জে কোটি কোটি মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করতো। তাদের উন্নয়নের চিন্তাই ছিল বঙ্গবন্ধুর। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, স্বাধীন রাষ্ট্র না হলে এদের উন্নতি হবে না। তাই তিনি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। আমেরিকা পাকিস্তানিদের সহায়তা করলেও আমেরিকার জনগণ আমাদের পক্ষ ছিল। মিত্র বাহিনীর সহায়তায় আমরা যুদ্ধে জয় লাভ করি। বাঙালিকে দমাতে না পেরে পাকিস্তানি অপশক্তি জাতির পিতাকে হত্যা করল। শুধুু তাই নয়, চার নেতাকেও হত্যা করা হল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে ১৯ বার ক্যু হয়। পঁচাত্তরের পর যে কারফিউ হয়েছিল সেটা ৮৬ এর নির্বাচন পর্যন্ত ছিল। ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কাজ শুরু করে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেই চেতনা নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।