মেইন ম্যেনু

যুদ্ধাপরাধী পরিবারের কেউ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

যুদ্ধাপরাধী এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত পরিববারের সদস্য আওয়ামী লীগের কোন সদস্য হতে পারবে না। দলের আগামী সম্মেলনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্রের বিষয়টি যোগ করা প্রস্তাব করা হবে বলে জানিয়েছেন গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক। খসড়া প্রস্তাবটি দলের সম্মেলনে উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির সভায় এ কথা জানান তিনি। আগামী ২২-২৩ অক্টোবর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলন সফল করতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী সংসদের (কেন্দ্রীয় কমিটি) সদস্য সংখ্যা ৭৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১ করার প্রস্তাব করা হবে। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে হবে ১৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৩ থেকে বেড়ে ৪ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ৭ থেকে বেড়ে ৮ জন হবে। আর কার্যনির্বাহী সদস্য আরো দু’জন বাড়ানোর প্রস্তাব করবো।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দলকে সুসংগঠিত করতে গঠনতন্ত্র সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। দলের সাংগঠনিক কাঠামো বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে সেটা বিরাট জাম্বু আকারের কোনো কমিটি হবে না। আওয়ামী লীগ এ ধরনের কমিটি পছন্দ করে না। গঠনতন্ত্র উপ-কমিটির সভায় যে খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে তা কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় তোলা হবে। সেখান থেকে অনুমোদন নেয়ার পর সেটা কাউন্সিলে উপস্থান করা হবে। কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাব চূড়ান্ত হবে।

তিনি বলেন, সভায় দলের সদস্য স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড নামের আরেক ফোরাম গঠনতন্ত্রে সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। সভার এ প্রস্তাবে বলা হয়, স্থানীয় সরকার দলীয়ভাবে হওয়ার কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য একটি বোর্ড থাকবে। এই বোর্ডের নাম হবে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। এই বোর্ডের সদস্য হবেন ১৯ জন। দলের সভাপতি এই বোর্ডের সভাপতি হবেন এবং সদস্য সচিব হবেন দলের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এই বোর্ড চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ৩ জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে বোর্ডে পঠাবেন।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব আফজাল হোসেন, সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মণি, আব্দুল মতিন খসরু, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আব্দুস সোবহান গোলাপ, বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, আখতারুজ্জামান, আব্দুর রহমান, খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, অসীম কুমার উকিল, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম আমিন ও শেখ ফজলে নুর তাপস প্রমুখ।