মেইন ম্যেনু

যুবলীগ নেতা হত্যায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়ার যুবলীগ নেতা মঞ্জুরুল আলম হত্যা ও আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকরা পৃথক মামলার প্রধান আসামি, সাবেক শিবির নেতা ও গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার সকালে জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজ উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে নজরুল জামিন আবেদন করলে বিচারক তা না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন। পুলিশ ও বাদী পক্ষের আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঞ্জুরুল আলম হত্যা মামলার বাদী সলিমা খাতুন জানান, গর্জনিয়ার নির্বাচনের আগের দিন ২৭ মে রাতে চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরীকে হত্যা করতে গেছে এমন খবর পেয়ে তিনি ও তার স্বামী স্কুলমুড়া থেকে চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে যাওয়া মাত্রই হামলাকারীদের সামনে পড়ে যান।

তখন তারা মঞ্জুরুলের গলায় নৌকার কার্ড ঝুলানো দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেন।

একপর্যায়ে গ্রামের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। একদিন পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় গত ৯ জুন মঞ্জুরুলের স্ত্রী সলিমা খাতুন গর্জনিয়া ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।