মেইন ম্যেনু

যেখানে সাঁতার কেটেছি, সেখানে আজ বাংলাদেশ ব্যাংক

শৈশবে যে পুকুরে ঝাঁপ দিতেন, মনের আনন্দে সাঁতার কাটতেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সেই পুকুরের ওপরই পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন গড়ে তোলা হয়েছে।

খেলার মাঠ সঙ্কটে দুঃখ প্রকাশ করে মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘সারাদেশে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ নেই, তাদের যেটুকু জমি আছে সেটুকু দিয়েই খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠও ব্যবহার করা যাবে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে হলে এখন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও ভালো হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী বছর থেকে প্রত্যেক স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাধ্যতামূলক করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি স্কুল থেকে খেলোয়াড় বের করে নিয়ে আসতে হবে। স্কুল থেকে ইউনিয়ন-থানা-উপজেলা-জেলা জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরি হবে।’

শিক্ষাক্ষেত্রে নেয়া সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে নাহিদ বলেন, বর্তমানে প্রাথমিকে ১ কোটি ৩০ লাখ, মাধ্যমিকে ৩০ লাখ, সর্বমোট ২ কোটি ৭২ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ৪৪তম গ্রীষ্মকালীন (সেপ্টেম্বর ২০১৫ অনুষ্ঠিত) এবং ৪৫তম শীতকালীন (জানুয়ারি ২০১৬ অনুষ্ঠিত) জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ ৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী, সনদ ও চেক বিতরণ করা হয়।

শারীরিক বিকাশ না হলে মেধার বিকাশ হবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমাদের চারপাশের বিষয়গুলোকেও আয়ত্ত করতে হবে।’

মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া সমিতির সম্পাদক ফারহানা হক, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমেদ হোসাইন, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর হামিদুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পয়েন্টের ভিত্তিতে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে প্রথম পুরস্কার, চট্টগ্রামের জে এম সেন হাইস্কুলকে দ্বিতীয় পুরস্কার এবং কিশোরগঞ্জের আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়কে তৃতীয় পুরস্কার দেয়া হয়।