মেইন ম্যেনু

যেভাবে আপনিও হতে পারেন ‘সেলফি’ এক্সপার্ট

সেলফি তোলাটা আজকাল যেন নেশায় পরিণত হয়েছে। যখন-তখন, যেখানে-সেখানে ইচ্ছে হলেই অনেকে সেলফি তুলেন আর তা অন্যদের সাথে শেয়ার করার জন্য বেছে নেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে।

সেলফি তোলা নিয়ে অনেকে আবার গবেষণাও করে থাকেন। কিভাবে সেলফি ভালো তোলা যায়। কার থেকে বেশি ভালো হবে। কি করলে আমার সেলফি সবার থেকে ভালো হতে পারে। কিভাবে তুলতে হবে? এমন আরও অনেক কিছুই আছে গবেষণা করে থাকেন।

অনেককে সেলফি পোকা বলা যেতে পারে। যাদের ফোন আর কম্পিউটার ভরা শুধু সেলফি আর সেলফি। সেই সেলফি পোকাদের জন্য ১০টি উপায় রয়েছে। এই উপায়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন সেলফি বিশেষজ্ঞ।

১। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে ‘selfie’ শব্দটিকে বছরের সেরা শব্দ বলে স্বীকৃতি দেয় অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি। ২। কীভাবে ভাল সেলফি তোলা যায় সেটা জানাতে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন অনলাইনে খোঁজ করেন।

৩। সমীক্ষা বলছে, ১৯৮০ সালের পরে যাদের জন্ম তারা গোটা জীবনে ২৫ হাজার সেলফি তুলবেন। ৪। বহু মানুষ বছরে ৫৪ ঘণ্টা অর্থাৎ দু’দিনেরও বেশি সময় সেলফি তুলে খরচ করেন।

৫। সেলফি শুধুই শখের নয়, ব্রিটেনের একটি ক্যান্সার রিসার্চ সংস্থা ২০১৪ সালে মেক-আপ ছাড়া সেলফি তোলার প্রচারাভিযান চালায়। ৬। মনে করা হয়, প্রথম সেলফি তোলা হয় ১৯২০ সালের ডিসেম্বর মাসে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি বাড়ির ছাদে।

৭। ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ অভিযানের অঙ্গ হিসেবে ২০১৫ সালে ভারতীয় পুরুষদের মেয়ের সঙ্গে সেলফি তুলে টুইটারে পোস্ট করার ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

৮। ২০১৪ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায় প্রতিদিন বিশ্বে ১০ লাখ সেলফি তোলা হয়। ৯। সবথেকে বেশি সেলফি পোস্ট করা হয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে। ১০। অধিকাংশ মানুষই সেলফি পোস্ট করার আগে সেটি এডিট করে নেন।