মেইন ম্যেনু

যেভাবে সাকিবের প্রেমে পড়েন শিশির

ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আহমদ শিশির। তখন ২০১০ সাল। সাকিব আল হাসান যান উস্টারশায়ারে কাউন্টি খেলতে। যুক্তরাস্ট্রের উইসকনসিন রাজ্যে পরিবারের সাথে থাকতেন শিশির।

খেলার ফাঁকে সাকিবও ঘুরতে বেড়ান। টিভির পর্দায় সাকিবকে খেলার মাঠে দেখেছেন শিশির। মুখোমুখি হওয়ায় সাকিবকে চিনতে কষ্ট হয়নি শিশিরের। সাকিবের কাছে শিশির ছিলেন একেবারেই অচেনা।

ইংলিশে সাকিবকে শুভেচ্ছা জানান শিশির। অবিবাহিত বলে সাকিবের প্রতি আকর্ষণ বেশিই থাকে শিশিরের। এর পরে ফেসবুকে যোগাযোগ তাদের মধ্যে। হয় ফোনালাপ। প্রেমের সম্পর্ক গভীর হয়। সবকিছু জেনে যায় দুই পরিবার। অবশেষে এসে যায় ১২.১২.১২ দিনটি।

সাকিব ও শিশিরের পরিবারের সমতার মধ্যে দিয়ে রাজধানীর রুপসী বাংলা হোটেলে বিয়ে হয় তাদের। এখন তাদের পরিবারে এসেছে সাকিব আলাইনা হাসান। শিশিরের পৈতৃক নিবাস ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জ জেলায়।

যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর আগে তার বাবা আহমেদ সাহেব অগ্রণী ব্যাংকের চাকুরে ছিলেন। শিশিরের পরিবার বলতে বাবা-মা, চার ভাই ও দুই বোন। তিনি পড়াশোনা করেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। স্নাতক করেছেন তিনি।

শিশিরের বয়স যখন ১০ তখন বাবা মায়ের সাথে আমেরিকায় যান শিশির। শিশিরকে এখন গর্বিত ভাবী বলে থাকেন সাকিবের ফ্যানরা। শিশিরের মধ্যে পাশ্চাত্য ভাবাদর্শ থাকায় রোমান্টিক ভাবীও বলে থাকেন অনেকে।