মেইন ম্যেনু

যেসব দেশে ভোট না দেওয়া অপরাধ, যার জন্য নিশ্চিত শাস্তি

ভোট একটি অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধান এ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে ভোটাধিকার দিয়েছে। ভোট দেওয়ার মৌলিক অধিকারকে কেউই কেড়েও নিতে পারবে না। কিন্তু নাগরিক নিজের ইচ্ছায় ভোটের অধিকার প্রয়োগ নাও করতে পারেন। এতে নাগরিককে কোনও রকম দণ্ড দেওয়ার বিষয় অন্তত বাংলাদেশের মত গণতান্ত্রিক দেশে নেই।

তবে পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে, যেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ না করলে নাগরিককে দণ্ডিত করার অধিকার আছে রাষ্ট্রের। উল্লেখ্য, সারা বিশ্বে এমন ‘কম্পালসরি ভোটে’র বিধান অথবা নিদান নেই। ভোট বয়কটের অধিকার যেমন বাংলাদেশে আছে, তেমনই অনেক দেশ আছে যেখানে ভোট না দিলে অর্থদণ্ড হয়।

কম্পালসরি ভোটের দেশ :

আর্জেন্টিনা : এ দেশে ১৭ থেকে ৭০ বছরের নাগরিককে অবশ্যই ভোট দিতে হবে। আর্জেন্টিনাতে এই আইন চালু হয় ১৯১২ থেকে। যা এখন পর্যন্ত এই আইনই চলছে।

অস্ট্রেলিয়া : এই দেশটিতে ১৯২৪ সালে প্রথম কম্পালসরি ভোটের আইন চালু হয়।

ব্রাজিল : ল্যাটিন আমেরিকার এই দেশে ১৮ থেকে ৭০ বছরের নাগরিককে অবশ্যই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে সে দেশে দণ্ডের বিধান রয়েছে।

সাইপ্রাস : পূর্বের ওই দেশগুলোর মতো ইউরোপের এই দেশটিতেও একই আইন। এই দেশে এই আইন চালু করা হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

ইকুয়েডোর : এই দেশে ১৯৩৬ সাল থেকে এই কম্পালসরি ভোটের আইন চালু করা হয়। ১৮ থেকে ৬৫ বছরের নাগরিককে অবশ্যই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হয়।

এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, পেরু, সিঙ্গাপুর, উরুগুয়ে, সুইজারল্যান্ডে এই কম্পালসরি ভোটের আইন চালু রয়েছে। ভারতের একমাত্র গুজরাট, যেখানে গুজরাট সরকার কম্পালসরি ভোটের আইন চালু করে। রাজ্যস্তরে সিভিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে নাগরিককে অবশ্যই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।