মেইন ম্যেনু

যে কারনে প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়া উচিত

জেনে নিন বাদাম কীভাবে সুস্থ রাখবে আপনাকে-

হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য
বাদামে প্রচুর পরিমাণে মনো আন স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য খুব উপকারি। ভেজে নিলে এতে পলিফেনলের পরিমাণও বেশি হয়। বাদামে থাকা ভিটামিন ই, ফলিক অ্যাসিড, নিয়াসিন ও ম্যাঙ্গানিজ হার্টের জন্য খুব ভালো। এতে কো এনজাইম কিউ টেন এর পরিমাণ অনেক যা আপনাকে হৃদরোগ থেকে দূরে রাখবে।

স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধে
আলঝেইমার মানে স্মৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া রোগ নিরাময়ে বাদাম উপকারি। এতে নিয়াসিন বেশি থাকে যা আলঝেইমার রোধ করে ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়।

গলব্লাডারের পাথর রোধে
বাদামে

প্রচুর প্রোটিন থাকে। গবেষকরা বলেছেন, নিয়মিত বাদাম খেলে তা গলব্লাডারের পাথর হওয়া রোধ করে।

শারীরিক বিকাশে প্রয়োজনীয়
দুর্বল স্বাস্থ্য ও কম ওজন যাদের, তারা নিয়মিত বাদাম খেতে পারেন। উঠতি বয়সী শিশুদের জন্যও বাদাম খুব উপকারি, কারণ এতে প্রচুর অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

শরীরের টক্সিন দূর করতে
বাদামে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। আর তাই শরীর থেকে টক্সিন অর্থাৎ ক্ষতিকারক উপাদান বের করে ওজন কমাতে সাহায্য করে বাদাম।

গর্ভবতী নারীদের জন্য
গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভবতী নারীরা নিয়মিত বাদাম খেলে তাদের সন্তানের অ্যাজমা হওয়ার আশংকা কমে যায়।

হতাশা কমাতে
আপনি যদি হতাশায় ভোগেন, তাহলে বাদাম খান। এতে আছে ট্রিপটোফান, যা সেরোটনিন মুক্ত করে হতাশা দমনে সাহায্য করে।

এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি৩, ফলিক অ্যাসিড ও প্রোটিন রয়েছে। কাঁচা বাদামের চেয়ে ভেজে খাওয়া বাদামে পুষ্টিগুণ আরও বেশি। তাই প্রতিদিন বাড়তি টাকা খরচ করে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস না খেয়ে বাদাম খান নিশ্চিন্তে।

এছাড়া পাকস্থলির ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার ও স্ট্রোক রোধে বাদাম খুব উপকারি। তাই প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খান, সুস্থ থাকুন। সুস্থতার জন্য প্রতিদিন বাদাম খেতে পারেন।