মেইন ম্যেনু

যে চার স্বাস্থ্য সমস্যায় স্মৃতিশক্তি কমে যায়!

শরীর ও ব্যাধি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ঔষধের মতই সমান গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে একে বারে সারে না এই রকম ব্যাধির জন্য স্মৃতিশক্তি বিধ্বংসী কিছু রোগের মধ্যে অ্যালঝেইমার্স বিষয়ে অনেকেই জানেন। এটি ছাড়া আরো কিছু রোগ রয়েছে, যেগুলো স্মৃতিশক্তি নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু লেখা বিষয়ে তথ্য।

১. বিষণ্ণতা
ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা দেহের যেসব ক্ষতি করে তার মধ্যে অন্যতম হলো স্মৃতিশক্তি নষ্ট করা। এর মূলে রয়েছে বিষণ্নতার ফলে সেরোটোনিন ও নোরিপাইনফিরাইন নামে দুটি উপাদানের ঘাটতি। এ দুটি নিউরোট্রান্সমিটার মস্তিষ্কের সচেতনতা ও সতর্কতা তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এ উপাদানগুলোর ঘাটতি তৈরি করে। ফলে মস্তিষ্কের স্মৃতি ধারণক্ষমতা কমে।

২. হাইপোথাইরয়েডিজম
থাইরয়েড হরমোন দেহের নানা কাজে প্রয়োজন হয়। এর নিম্ন মাত্রা মস্তিষ্কে পুষ্টি উপাদান পৌঁছানো বিলম্বিত হয়। এ রোগের অন্য লক্ষণগুলো হলো ওজন বৃদ্ধি, অবসন্নতা, শুষ্ক ত্বক, চুল পড়ে যাওয়া ও ঠাণ্ডা অনুভব হওয়া। অনেক চিকিৎসক এ রোগের চিকিৎসায় সিনথেটিক থাইরয়েড হরমোন ব্যবহার করেন।

৩. স্লিপ অ্যাপনিয়া
নিশ্বাস নিতে সমস্যা হলে অনেকের ঘুমেরও সমস্যা হয়। এজন্য অনেকাংশে বিভিন্ন কারণে নাকের ছিদ্র কমে যাওয়া দায়ী। এতে মস্তিষ্কের অক্সিজেনের ঘাটতি হতে পারে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তিও সমস্যাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এ রোগের চিকিৎসায় ওজন কমানো, অ্যালকোহল বর্জন ও নাকের চিকিৎসা করা হয়।

৪. সেলিয়্যাক ডিজিজ
সেলিয়্যাক ডিজিজ একটি অটোইমিউন রোগ। গবেষকরা এখনো নিশ্চিত নন যে, এ অটোইমিউন রোগটি কিভাবে মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, এ রোগটিতে আক্রান্ত হলে স্মৃতিশক্তি প্রভাবিত হয়। এতে মস্তিষ্কের স্মৃতি ধারণক্ষমতা কমে যায়। এ রোগটির লক্ষণ অবসন্নতা, হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা, মাইগ্রেন, ত্বকে চুলকানি ও র‌্যাশ ও ডায়রিয়া। অস্ট্রেলিয়ান এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের গ্লুটোন বাদ দিলে এ ধরনের রোগীদের উপকার হয়।