মেইন ম্যেনু

যে ছয়টি সবজি ও ফলের খোসা ছাড়ানো উচিত নয়

মাছ-মাংসের সঙ্গে ডায়েটে প্রতিদিনই পর্যাপ্ত পরিমাণ সবুজ শাক-সব্জি এবং স্যালাড রয়েছে! তা সত্ত্বেও শরীর-স্বাস্থ্য তার প্রভাব পড়ছে না। জানেন কি, কেন এমন হচ্ছে? উত্তরটা শুনে অনেকেই অবাক হতে পারেন। তরিতরকারি বা ফলের খোসা ছাড়ানোর জন্যই এমনটা হচ্ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে, এমন কয়েকটি সব্জি ও ফল আছে যা খোসা ছাড়িয়ে রান্না করা বা খাওয়া উচিত নয়। খোসাতেই নাকি তার বেশির ভাগ পুষ্টিগুণ রয়েছে। দেখে নিন, সেগুলি কী কী।

আলু: আমাদের দেশে তো বটেই আলুর খোসা ছাড়িয়ে খাওয়ান অভ্যেস রয়েছে বিদেশি হেঁশেলেও। পটেটো স্যালাড বা ম্যাসড পটেটোর তৈরি করতে সিদ্ধ আলুর খোসা ছাড়ানো হয় তা জানেন নিশ্চয়ই। এটা কিন্তু মোটেই কাজের কথা নয়। আলুর মধ্যে যে ভিটামিন ‘বি’ বা মিনারেল আছে তার ২০ শতাংশই থাকে খোসার মধ্যে। এমনকী, সমস্ত ফাইবারও থাকে আলুর খোসার মধ্যেই। ফলে খোসা ছাড়ালে আলুর পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়।

বেগুন:বেগুনের খোসাতে নাসুনিন নামের একটি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। সেল ড্যামেজ রুখতে এবং বিভিন্ন বয়সজনিত অসুখবিসুখে এটি খুবই কার্যকরী। ফলে বেগুনের খোসা ছাড়িয়ে খেলে তা কিন্তু অ্যান্টি-এজিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াইতে আপনাকে অনেকটাই পিছিয়ে দেয়।

মিষ্টি আলু:মিষ্টি আলুর খোসায় রয়েছে ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং পটাশিয়াম। ফলে তা ছাড়িয়ে খেলে এই উপাদানগুলি কিন্তু বাদ পড়ছে আপনার ডায়েট থেকে।

শশা:শশার খোসায় প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইবার রয়েছে। ফলে ইমিউনিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে খুবই কাজে দেয় শশা। কিন্তু বেশির ভাগ গিন্নিরাই স্যালাড তৈরির সময় শশার খোসা বাদ দিয়ে দেন।

গাজর:শশার মতো গাজরেও সমস্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এর খোসাতে। কিন্তু খোসা ছাড়ানো গাজর খেলে তার পুষ্টিগুণ ব্যাহত হয়। খোসা না ছাড়িয়ে ভাল করে ধুয়ে গাজর রান্না করা উচিত।

আপেল:হজমের গোলমাল হয় বলে অনেকেই আপেলের কোসা ছাড়িয়ে খান। আপেলের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। খোসা ছাড়ালে তা বের হয়ে যায়। আপেলের খোসার মধ্যে ভিটামিন সি-সহ ট্রিটারপেনয়েডস রয়েছে, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উপযোগী।

সূত্র: আনন্দবাজার



« (পূর্বের সংবাদ)