মেইন ম্যেনু

যে পদ্ধতিতে দেওয়া হবে স্মার্ট কার্ড

১ কোটি স্মার্টকার্ড বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঈদের পর যে কোন সময় এ স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে। কার্ড বিতরণে বিলম্ব হওয়ায় ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন মহল থেকে তাগিদা পেয়েছে ইসি। ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসি সচিবালয় কর্মকর্তারা জানান, নাগরিকদের উন্নতমানের স্মার্টকার্ড দিতে আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহান্সিং অ্যাকসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) প্রকল্প শুরু করে ইসি। বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্ড বিতরণ শুরু করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। পৌর নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনের কারণে এ কার্যক্রম আবারও বিলম্বিত হয়।

সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে নাগরিকদের ৯ কোটিরও বেশী স্মার্ট কার্ড দিবে ইসি। তবে বর্তমানে ১ কোটি কার্ড রেডি হওয়ায় এটি আগে বিতরণ শুরু করতে চায় ইসি। প্রথমে কার্ড বিতরণের সময় নতুন ভোটারদের আগ্রধিকার দেওয়া হবে। অর্থাৎ যারা ভোটার হয়ে এখনও জাতীয় পরিচয়পত্র পায়নি তাদের আগে দেওয়া হবে। তবে নতুন ভোটারের মধ্যে ঢাকার ভোটারদের আগে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে।

স্মার্ট কার্ড পেতে নাগরিকদের কোথাও যেতে হবে না। যাদের নামে আগে স্মার্ড রেডি হবে তাদের নিজ বাসায় ইসির কর্মকর্তারা গিয়ে স্মার্ট কার্ড দিয়ে আসবে। ভোটার তালিকা হালনাগদের সময় যেমন ইসির তথ্য সংগ্রহ কারিরা ভোটারদের তথ্য নিয়ে কার্ড দিয়ে আসে ঠিক সেভাবে স্মার্ডকার্ড বিতরণ করা হবে।

স্মার্ট কার্ড বিতরণের দিন তারিখ ঠিক হলে প্রধানমন্ত্রী এটি উদ্বোধন করবেন বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) সৈয়দ মোহাম্মাদ মুসা বলেন, ‘আমরা শীঘ্রই স্মার্ট কার্ড নাগরিকদের মধ্যে বিতরণ করতে যাচ্ছি। স্মার্ট কার্ড তৈরি করতে মেশিন বসানো শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিডিউল পেলে একটি বিশেষ দিনে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করব।

সৈয়দ মুসা আরও বলেন, ‘কার্ড প্রথমে ২০১৪ সালের হালনাগাদে অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের দেয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকার নাগরিকরা স্মার্ট কার্ড আগে পাবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সিটিকরপোরেশন গুলোতে দেয়া হবে। পরবর্তীতে জেলা-উপজেলা গুলোতে বিতরণ করা হবে।

আইডিইএ প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ সালের জুন মাসের মধ্যে সাড়ে নয় কোটি নাগরিকের হাতে স্মার্টকার্ড পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল। এ জন্যে উৎপাদন শুরুর কথা ছিল ২০১৪ সালের আগস্টেই। কিন্তু কোনো কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি না হওয়ার কারণে সময় মত উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়নি।

২০১৫ সালে ১৪ জানুয়ারিতে স্মার্ট কার্ড তৈরি ও বিতরণের বিষয়ে ফ্রান্সের ওবার্থার টেকনোলজিস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে।