মেইন ম্যেনু

যে বিষয়টি প্রকাশ করলে নারীদের চাকরির সম্ভাবনা বেশি

নারীদের জন্য ইন্টারভিউয়ে চাকরির সম্ভাবনা বাড়িয়ে নেয়ার একটি সুযোগের কথা জানা গেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্যটি উঠে এসেছে।

তবে এতে পুরুষদের জন্য কোনো সুখবর পাওয়া যায়নি! এ সুযোগটি সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে নারীরা চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে নিতে পারেন অনেক বেশি।

এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো নারী যদি ইন্টারভিউয়ে গিয়ে গোপন বিষয়টিকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারেন তাহলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব।

এক্ষেত্রে পুরনো একটি ধারণাকে নাকচ করে দিয়েছেন গবেষকরা, যেখানে ধারণা করা হত নারীদের ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারিং করা তাদের চাকরির সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

দেখা গেছে, নারীরা যদি ইন্টারভিউয়ে ক্যারিয়ারের মাঝে কোনো শূন্যস্থান কিংবা দুর্বলতার বিষয়ে ইন্টারভিউয়ারদের প্রশ্নের মুখোমুখি হলে বিষয়টি ব্যবহারে যথেষ্ট উপকৃত হয়েছেন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের মাঝে গ্যাপ থাকলে তাতে অনেক সময় ইন্টারভিউয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এ সময় ব্যক্তিগত কিছু তথ্য প্রকাশ করলে তাতে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে চাকরির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জনি হার্শ বলেন, আমাদের গবেষণায় প্রথমবারের মতো জানা গেছে যে, নারীরা চাকরিতে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় নাটকীয়ভাবে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য উপস্থাপন করেন তাতে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুবিধা পান।

নিয়োগকর্তারা নারী কর্মীদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য জেনে তা তাদের ক্যারিয়ারের মাঝের গ্যাপকে সহজেই মেনে নেন।

এ বিষয়ে ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির গবেষকক জেনিফার বেনেট শিনাল বলেন, আমরা যদি কর্মী ও নিয়োগকর্তার মাঝে সৎ কথাবার্তা বলতে উৎসাহিত করি তাহলে তা অর্থবহ হয়। এতে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ইন্টারভিউদাতাকে নিয়োগ করতে উৎসাহী হয়ে ওঠেন।

এ বিষয়ে গবেষক দলটি ৩,০২২ জন ব্যক্তিকে গবেষণার জন্য অন্তর্ভুক্ত করেন। তাদের ১০ বছরের ক্যারিয়ার গ্যাপ থাকার পর কীভাবে চাকরির ইন্টারভিউয়ে বিষয়টি মানিয়ে নেয়া যায় তা নিয়ে অনুসন্ধান করেন।

এক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীরা তাদের এ সময়টিকে সন্তান বড় করার জন্য ব্যবহার, ডিভোর্স কিংবা এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করেন।