মেইন ম্যেনু

যে ব্রীজ কোন কাজে লাগেনি ফুসে উঠেছে ৭ গ্রামের মানুষ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার মাঝদিয়ে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের দুই পাশে কোন রাস্তা তৈরী না হওয়ায় ব্রীজটি কোন কাজে আসছে না। এতে এলাকাবাসি দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। নিরুপায় হয়ে এলাকার সাত গ্রামের মানুষ আন্দোলন করার কথা ভাবছে।

জানা গেছে জেলা শহরের সাথে সহাজে যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে হলিধানী ইউনিয়নের নাটাবাড়ীয়া গ্রাম ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামে দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে একটি ব্রীজ নিমান করা হয়। ব্রীজের উভয় পাশে পাকা সড়ক নির্মান না করায় একযুক পেরিয়ে গেলেও কোন কাজেই আসেনি ব্রীজটি। এখন শুধু ধান ও পাট শুকানোর কাজেই ব্যবহৃত হয় ব্রীজটি।

মাত্র তিন কিলোমিটার রাস্তার জন্য প্রায় ৭টি গ্রামের মানুষ দূরবীসহ জীবন যাপন করছে। বর্ষা কাল এলে গ্রাম থেকে উৎপাদীত খাদ্য শস্য, পান, সবজি, পাট বক্রি করতে নিয়ে যেতে পারেনা গ্রামবাসি। স্কুল,কলেজ গামী শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজ যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় পানি কাদায়। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেও বেগ পেতে হয়। ডিজিটাল যুগে যেন এক বিচ্ছিন্ন দ্বিপ।

ব্রীজটি উচুঁ হওয়ায় মাঝে মধ্যে ঘটে ছোট বড় নানান দূর্ঘটনা। সরকার যায় এমপি বদলায়, কিন্তু দুরদশা কাটে না নাটাবাড়ীয়া, দারীয়াপুর, পলেনপুর, রূপদা, সাখেরিদাহসহ আশেপাশে গ্রামবাসির। গ্রামবাসির ব্রীজের দুই পাশের তিন কিলোমিটার রাস্তা পাঁকা করে চলাচল যোগ্য করা হোক।

এ ব্যাপারে নাটাবাড়ীয়া গ্রামের মহিলা মেম্বার লিলি খাতুন বলেন, গ্রাম বাসিরা সমস্যা পোহাতে পোহাতে চরম ভাবে ক্ষুদ্ধ। ভাবছি তাদের নিয়ে দাবি আদয়ে যেকোন সময় আন্দোলন করবো। নাটাবাড়ীয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার সাদাহাম্মেদ বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি এই ব্রীজ ও ব্রীজের দুই দিকের পাঁকা রাস্তা কারার।

কিন্তু ১২ বছরেও পুরণ হয়নি। হলিধানী বাজার কমিটির সেক্রেটারি জহুরুল ইসলাম বলেন, রাজনীতিবিদরা অনেক প্রতিশ্র“তি দেওয়ার পরও তারা কথা রাখেন নি।