মেইন ম্যেনু

যে ভাবে আজকের নায়লা নাঈম !

নায়লা নাঈম পেশায় একজন দন্ত চিকিৎসক, ঢাকায় তার নিজের ক্লিনিকও আছে এবং সেখানে তিনি নিয়মিত রোগীও দেখেন।এই পরিচয়ে নায়লা নাঈমকে খুব বেশি মানুষ চিনেন না। কিন্তু মডেল এবং অভিনয়ের জন্য খুব অল্প সময়ে তিনি দেশ এবংদেশের বাইরেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। খবর-অনলাইন

বরিশালের পটুয়াখালিতে ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন নায়লা নাঈম । নায়লা নাঈমের বাবা বেসরকারী চাকরীজীবি আর মা আইনবিদ। তার ছোট একটি ভাই রয়েছে। বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন নায়লা নাঈম। অতঃপর উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ঢাকাতে চলে আসেন এবং ঢাকা সিটি ডেন্টাল কলেজ থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন।

আজকের নায়লা নাঈম হয়ে ওঠা:
বছর পাঁচেক আগের কথা। মিরর ম্যাগাজিনের ‘গ্রুমিং’ ফটো’র একটি বিজ্ঞাপনে চোখ যায় নায়লা নাঈমের। গ্রুমিংয়ের জন্য ফটো আহ্বান করা হয়েছে। আনকোরা নায়লা নাঈম কৌতূহলে নিজের কয়েকটি শখের বশে তোলা ফটো জমা দিলে ডাক পড়ে তার। প্রাথমিকভাবে ৩০০ জনকে ডাকা হয়। নায়লা নাঈম তাদের মধ্যে একজন। এরপর র‌্যাম্পে হাঁটার পর ৫০ জনকে বাছাই করা হয়। সেখানেও নায়লা নির্বাচিত হন। চূড়ান্ত ৩০ জনের মধ্যেও নায়লা থেকে যান। তবে এ যাত্রায় তিনি আর বেশিদুর যেতে পারেননি।

এর কিছুদিন পর একদিন দেখা হয়ে যায় সেই পুরনো গ্রুমিং মডেলের একজনের সঙ্গে। তিনি নায়লা নাঈমকে পুনরায় কিছু ছবি তুলতে বলেন। যেতে পরামর্শ দেন ফটোগ্রাফার রফিকের কাছে। ফটোগ্রাফার রফিক নায়লাকে দেখেই বুঝে ফেলেন এর দ্বারাই হবে। রফিক বেশ কিছু ছবি তোলেন। নায়লা নাঈম সেই ছবি জমা দেন ‘প্যান্টিন ইউ গট দ্য লুক’-এ। সেখানে তিনি শীর্ষ পাঁচে ছিলেন।

এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি তাকে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের সেলিব্রেটিদের মধ্যে গুগল সার্চে তিনি ছিলেন সবার প্রথমে (শীর্ষ ৫জনের মধ্যে)।র‌্যাম্প মডেলিংয়ের পাশাপাশি তিনি এখন বিজ্ঞাপন চিত্র ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।