মেইন ম্যেনু

যে ১৩ স্থানে মানুষের লাইন শেষ হয় না!

এক শ’ কোটির ওপরে লোকের বসবাস ভারতে। নানা ধর্ম ও বর্ণের লোক থাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশটিতে। তাজমহল, রেডফোর্টসহ নানা আকর্ষণীয় স্থানের জন্য ভ্রমণবিলাসীদের কাছে প্রথম পছন্দ ভারত। দেশটিতে আরও একটি মজার বিষয় রয়েছে তা হল মানুষের লম্বা লাইন। মন্দির থেকে শুরু করে শপিং মল সবখানে দেখা যাবে মানুষের সারি। যার মধ্যে এমনও কিছু সারি বা লাইন আছে যা কখনো শেষ হয় না!

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, ভারতের কোন্‌ কোন্‌ স্থানে সব-সময় মানুষের ভিড় লেগে থাকে। এমন ১৩টি স্থান একপলকে দেখে নেওয়া যাক—

place 1

তিরুপাতি বালাজি মন্দির : এ মন্দিরটি পরিদর্শনের জন্য সবচেয়ে বেশী ভক্তদের সমাগম হয়। প্রতিদিন মন্দির পরিদর্শনে আসেন ৫০ হাজার থেকে এক লাখ পুণ্যার্থী। ভেঙ্কাটেশ্বরকে একনজর দেখতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন ভক্তরা। এ জন্য এখানে মানুষের লাইনের সারি কখনো ছোট হয় না।

place-2

পাসপোর্ট অফিস : ১০ বছরে একবার পাসপোর্ট নবায়ন করতে হয় ভারতীয় নাগরিকদের। যারা ১০ বছর আগে এটি করেছিলেন; মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রত্যেকেই চায় পাসপোর্টটি পুনরায় নবায়ন করতে। এ জন্য লম্বা লাইনের সারি পড়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে।

place-3

সাঁই বাবা মন্দির : ভোর ৪টা থেকে ভক্তদের জমায়েত শুরু হয় এ মন্দির প্রাঙ্গণে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তদের ভিড়ও বাড়তে থাকে। এখানে অনলাইনেও বাবার মন্দির দর্শনের জন্য টিকিট বুকিং দেওয়া যায়। তবে স্বাভাবিক লাইনের চেয়ে অনলাইনে যারা বুকিং দেন তাদের লাইনই বেশি লম্বা হয়।

After public betanup to railway employee from Ticket window police bandobast on Kurla station ,some time all ticket windows are closed also Union put up board of “protest” on Stations, lot of peoples avoid long q and rush on CVM machines ,one cvm machin in bad condition  Ashish Raje ,Mumbai Mirror  16Oct 2011

ট্রেনের টিকিট বুকিং : ভারতের ট্রেনের আগাম টিকিট পেতে রীতিমতো ঘুম হারাম করতে হয় যাত্রীদের। আগেভাগে টিকিট পেতে সবাই লাইনের আগেই থাকতে চান। কিন্তু তা কী সম্ভব! আর লাঞ্চের সময় তো এই ভোগান্তি আরও চরমে উঠে। এ জন্য দুর্ভোগের মধ্যেও টিকিট পেতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় টিকিট প্রার্থীদের।

place-5

শৌচালয় : দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি, ভারতে টয়লেট বা শৌচালয়ে ইচ্ছে করলেই যেতে পারবেন না আপনি। এ জন্য আগে লাইনের সারিতে দাঁড়াতে হবে। তারপর শুরু করতে হবে অপেক্ষা। যিনি টয়লেটে ঢুকেছেন তিনি বের হওয়ার পরও আপনাকে লাইনে থাকতে হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত।

place-6--Home

লাল বাউগচা রাজা মন্দির : প্রতিবছরে একবার ভক্তরা এখানে আসেন। ভগবান গণেশের বিগ্রহ দর্শন করতে ভক্তদের লম্বা লাইন হয়। গণেশ দর্শনে ১৮ ঘণ্টা অবধি ভক্তদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। কোনো বিশৃঙ্খলা নয়, ধীরস্থিরভাবেই তা করেন ভক্তরা।

place-7

রেশনের দোকান : কম দামে চাল, ডাল, তেল ও ময়দা কেনার জন্য নিম্ন আয়ের মানুষের লম্বা ভিড় থাকে রেশনের দোকানগুলোর সামনে। অনেকে ফাঁকি দিয়ে লাইন ভেঙ্গে আগে যেতে চায়, তখন ঝগড়া বেধে যায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে।

place-8

ব্যাংক : ভারতের বেশীর ভাগ ব্যাংক ডিজিটাল হলেও কাউন্টারের সামনে ভিড় কমেনি। বরং সবসময় ভিড় লেগেই থাকে সেখানে। তাতে বিরক্ত হন ব্যাংক কর্মকর্তারা। কারণ কাস্টমার রেখে তো আর ব্যাংক থেকে বের হওয়া যায় না!

place-9

ম্যাকডোনাল্ডস : খাবার অর্ডার দেওয়ার জন্য ভারতীয়দের কাছে জনপ্রিয় ম্যাকডোনাল্ডস। তাই পছন্দের বার্গার, ফ্রাই ও অন্যান্য খাবার ভোজনবিলাসীরা নিতে চান প্রিয় ম্যাকডোনাল্ডস থেকে। এ জন্য মানুষের ভিড় লেগেই থাকে ডোনাল্ডসের সামনে।

place-10

শপিং মল : ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়তে মাঝেমধ্যে ভারতের বিভিন্ন মলে ছাড়ে পণ্য বিক্রি করা হয়। তাতে বেশ সাড়া পান মল মালিকরা। সস্তায় জিনিস পেতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা। তখন লম্বা লাইন সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের!

place-11

ভর্তি ফরম : ফলাফল বের হওয়ার পর ভাল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম পাওয়ার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সেরা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম সংগ্রহে তাই তারা লম্বা লাইন দিয়ে অপেক্ষা করে কলেজ ফটকের সামনে।

place-12

বিগ বাজার বিল কাউন্টার : স্বাধীনতা দিবসে ভারতে সবচেয়ে বেশী বেচাকেনা হয়। তখন ছাড় থাকে কাপড়-চোপড়ে, ক্রোকারি ও খাদ্যজাতীয় দ্রব্যে। আর কম দামে পণ্য কেনার পর ক্রেতারা ভিড় জমান বিল কাউন্টারের সামনে। তখন একেকজন ক্রেতার বিলের কাগজটি পেতে সময় লাগে ১৫ মিনিট।

place-13

ট্যালেন্ট শো অডিশন্স : ভারতে এ ধরনের অডিশন্সের কোনো অভাব নেই। এ প্রতিযোগিতার প্রতি মানুষের আগ্রহও ব্যাপক। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারা এসে অংশগ্রহণ করেন ট্যালেন্ট শোগুলোতে। প্রত্যেক প্রতিযোগী নিজের প্রতিভা প্রমাণে সুযোগ পান এক মিনিট করে। আর শোগুলোতে অংশ নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন প্রতিযোগীরা।