মেইন ম্যেনু

যে ৫টি ফুলকে স্পর্শ করলে মানুষের মৃত্যু হয়

ফুল হলো সুন্দরের প্রতীক। কথায় আছে যে মানুষ ফুলকে ভালবাসে না সে মানুষ খুন করতে পারে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন ফুলও আছে যেগুলো মানুষকেই উল্টো খুন করে। অর্থ্যাৎ পৃথিবীতে এমন কিছু ফুল আছে যেগুলো স্পর্শ করলে মানুষের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

সম্প্রতি বিৃটেনের বিজ্ঞানীরা মানুষকে সচেতন করতে ৫ প্রকারের মানুষখেকো ফুলের সাথে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন। বিজ্ঞানীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া ওই পাঁচ প্রকারের ফুলের বর্ণনা নিম্নে তুলে ধরা হলো।

111

১. মঙ্কসহুড : এটি অ্যাকোনাইট নামেও পরিচিত। বড় আকারের লম্বাটে সবুজ পাতা আর বেগুনি রংয়ের লম্বা ফুল। এর স্পর্শে হৃদক্রিয়া বন্ধ হতে থাকবে। ত্বকের ভেতরে নিমিষেই প্রবেশ করে এটি। ব্রিটেনের সবচেয়ে বিষাক্ত প্রাণঘাতী উদ্ভিত এটি।
2

২. ফক্সগ্লাভ : বনে জন্মালেও মানুষের কাছে খুব প্রিয় এক আকর্ষণীয় চেহারার কারণে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেগুনি রংয়ের ফুলগুলোর মধ্যে লাল আর হলুদের প্রিন্ট দেখা যায়। এর সামান্য অংশ মুখে গেলে বমি, ডায়রিয়া এবং হৃদক্রিয়া বন্ধ হওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে। ত্বকে স্পর্শ লাগলে চুলকানি হয়।

3

৩. কুকু পিন্ট : লর্ডস অ্যান্ড লেডিস নামেও সুপরিচিত। বনে-বাদাড়ে জন্মে। ফুলগুলো গোলাকার। এর চারদিকে সবুজ পাতা হুডের মতো ঢেকে রাখে। খাওয়ামাত্র শ্বাস বন্ধ হতে থাকবে। অনেকে এর কারণে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে হয়েছে।

4

৪. ইংলিশ ইয়েও : লাল গোলাকার ফলের মতো দেখতে। এর পাতাসহ সবকিছুই বিষাক্ত। খেয়ে ফেললে মাথা ঘোরানো, শুকনো মুখ এবং চোখের পিউপিলের প্রসারণ ঘটে। হৃৎস্পন্দন এলোমেলো হয়ে যায় এবং মৃত্যুও ঘটতে পারে।

5

৫. হেমলক : এটা ব্রিটেনের নিজস্ব উদ্ভিদ নয়। তবে প্রায় সব জায়গায় দেখা মেলে। সাধারণত নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে দেখা যায়। এটি খাওয়ামাত্র ফুসফুস কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে এবং এতে মৃত্যু নিশ্চিত। সক্রেটিসের জীবনাবসান ঘটায় এই হেমলক।