মেইন ম্যেনু

যে ৫ টি লক্ষণ প্রকাশ করবে আপনি মারাত্মক ঘুম সমস্যায় ভুগছেন

রাতে ঘুমিয়ে যাওয়া এবং সকালে ঘুম থেকে উঠার অর্থ এই নয় যে আপনার ঘুম সংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। অনেকে বুঝতেই পারেন না তার ঘুম সংক্রান্ত কোনো সমস্যা আছে বা থাকতে পারে। মূলত আমরা ঘুম নিয়ে খুব বেশী চিন্তা করি না বলেই আমাদের এই ধরণের সমস্যা বাড়তে থাকে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই কিন্তু বুঝতে পারবেন আপনার কোনো সমস্যা হচ্ছে কি হচ্ছে না। জেনে নিন কিছু লক্ষণ সম্পর্কে যা প্রকাশ করছে আপনি ঘুম সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন মারাত্মক ভাবে।

১) ঘুমিয়ে উঠার পরও ক্লান্ত
টানা ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরও আপনি অনেক ক্লান্তি অনুভব করেন? তাহলে আপনার ঘুমের সমস্যা রয়েছে অনেক। আমাদের দেহের সাইকেল এমনভাবে সেট করা যাতে আমরা ৮ ঘণ্টা সঠিকভাবে ঘুমালে আপনাআপনিই শরীর ঘুম থেকে জেগে উঠার তাগিদ অনুভব করবে। যদি আপনার ক্ষেত্রে এমনটা না হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনার ঘুমের সমস্যা সত্যিই মারাত্মক। সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহন করুন।

২) আপনি নাক ডাকেন
আপনি নিজেও হয়তো জানেন না আপনি নাক ডাকেন। কিন্তু যদি আপনাকে কেউ এই সম্পর্কে বলে তাহলে গুরুত্ব দিন। কারণ আপনি নাক ডাকার অর্থ আপনার ঘুমের সমস্যা অর্থাৎ আপনি স্লিপ অ্যাপেনায় ভুগছেন। এবং ডাক্তারগণ বলেন, যারা নাক ডাকেন তারা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিতে পড়েন অনেক বেশী।

৩) আপনি দিনের বেলা ঘুমান
সারাদিন ক্লান্তিতে রাতে ঘুম আসা খুবই স্বাভাবিক এবং দুপুর পরও একটি চোখ লেগে আসা স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি পুরো দিনই ঘুম ঘুম ভাবে কাটান এবং কাজের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন তাহলে বুঝতে হবে আপনি ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন যার কারণেই আপনার ঘুমের চাহিদা রয়েই যাচ্ছে।

৪) রাতে ঘুমুতে সমস্যা হওয়া
রাতে এপাশ ওপাশ করে সময় কাটানোর মতো মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। অনেকেই ভাবেন হয়তো ক্লান্তি নেই এবং দুশ্চিন্তার কারণে ঘুম আসছে না। কিন্তু এই সমস্যাটি আপনার দেহে ঘুমের হরমোন উদ্রেক করতে সমস্যা হচ্ছে তা প্রকাশ করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরী।

৫) ঘুম সমস্যা যা ইঙ্গিত করে অন্য একটি রোগ
রাতে ঘুম না হওয়া, ঘুমাতে না পারা ইত্যাদি ঘুম সংক্রান্ত সমস্যার ইঙ্গিত করলেও সেই সাথে এটি অন্য মানসিক সমস্যা যা দৈহিক ভাবে প্রকাশ পায় এভাবে তার লক্ষণ প্রকাশ করে। আর তা হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক বিষণ্ণতার সমস্যা। এছাড়াও রেস্টলেস্ট লেগ সিনড্রোম, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা ইত্যাদির সমস্যাও প্রকাশ করে থাকে।

সূত্র: health.com