মেইন ম্যেনু

যে ৬ টি ছোট্ট বিষয় আপনার সুখের সম্পর্ক ভাঙার জন্য যথেষ্ট

সম্পর্ক গড়ে তুলতে অনেক সময় এবং অনেক পরিশ্রম লাগলেও সম্পর্ক ভাঙতে অনেক সময় একটি মুহূর্তও লাগে না। সম্পর্ক একেবারেই কাঁচের মতো। একবার ভেঙে গেলে জোরাতে অনেক সময় লাগে এবং জোরা লাগার পরও দাগ রয়ে যায়। কিন্তু আমরা হরহামেশাই এমন সব কাজ করে থাকি যা সম্পর্ক ভাঙার জন্য যথেষ্ট। এই সকল বিষয় হয়তো খুবই সামান্য কিন্তু এগুলোর প্রভাব সম্পর্কের উপর অনেক ক্ষতিকর। তাই যদি আপনি নিজের সম্পর্ককে সম্মান করেন তাহলে এই কাজগুলো থেকে বিরত থাকুন।

১) অবাস্তব আশা

সঙ্গীর কাছে আশা করা উচিত নয় তা সকলেই জানেন। কিন্তু যখন কাউকে ভালোবাসা হয় তখন তার প্রতি আপনাআপনিই এক ধরণের আশা চলে আসে। কিন্তু এটাও ক্ষতিকর নয় যতক্ষণ না পর্যন্ত আশা অবাস্তব কিছুতে রূপান্তরিত হয়। অতিরিক্ত এবং একেবারেই অবাস্তব আশা যা পূরণের নয় তা মনে অপূর্ণতার সৃষ্টি করে এবং সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে দেয়ার জন্য এই মনের অপূর্ণতাই যথেষ্ট।

২) ঈর্ষা

অনেকে বলেন সত্যিকারের সম্পর্কে নিজের মনের মানুষটিকে নিয়ে ঈর্ষার সৃষ্টি হতেই পারে। কিন্তু আসলে এই কথাটি সঠিক নয়। মনে ন্যূনতম ঈর্ষা জন্ম নিলে তা খুবই দ্রুত সন্দেহে পরিনত হয়ে যায় তা সম্পর্কে তিক্ততার সৃষ্টি করে।

৩) অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া

দুজন মানুষ সম্পর্কে থাকলে একে অপরের উপর অধিকার চলেই আসে। কিন্তু এই অধিকার যেন অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণে রূপান্তরিত না হয় সেদিকে নজর রাখবেন। কারণ আপনার অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়ার বিষয়টি সঙ্গীর মনে বিরক্তির উৎপাদনই করবে যা সম্পর্কের জন্য একেবারেই ভালো নয়।

৪) মিথ্যা বলা

মিথ্যা কখনোই কোনো সম্পর্ককে মজবুত হতে দেয় না। আপনি এখন কোনো কিছু এড়াতে মিথ্যা বললেন, কিন্তু তা যে প্রকাশ পাবে না তার নিশ্চয়তা কি? তখন আপনি আপনার সঙ্গীর চোখে সম্মান একেবারেই হারিয়ে ফেলবেন এবং হারাবেন বিশ্বাসও। আর এগুলোই যথেষ্ট সম্পর্ক ভেঙে ফেলার জন্য।

৫) সময় না দেয়া

আপনাদের সম্পর্ক কীভাবে মজবুত হবে? দুজনে যদি নিজেদের মতো আনন্দের সময় একসাথে ব্যয় না করতে পারলেন তো স্মৃতি আসবে কীভাবে? আর কেনই বা আপনাদের দুজনের ভালোবাসা গাঢ় হবে? সুত্রাং সঙ্গীকে তার প্রাপ্য সময় দিন।

৬) অযথা তৃতীয় কোনো ব্যক্তি নিয়ে ঝগড়া

দুজনের মধ্যে আরেকজন তখনই আসে যখন সম্পর্কের ভীত নড়বড়ে থাকে। আর এই নড়বড়ে ভীতের সম্পর্ক খুব সহজেই নষ্ট হয়ে যায়, সামান্য একটু মনোমালিন্যের কারণেই। তাই নিজেদের মধ্যে অন্য কাউকে আসতে দেবেন না।

সূত্রঃ olwomen.com