মেইন ম্যেনু

যে ৭ জন বাহুবলিতে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন!

বাহুবলি‍’ জ্বরে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব। প্রত্যেক সিনেমাপ্রেমীর মুখে মুখে এখন একটাই নাম প্রভাস। মেয়েরা তো আবার প্রভাসকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু বাহুবলি না করলে হয়ত এই প্রভাসের এত জনপ্রিয় হয়ে ওঠাই হত না। ‌যদি না হৃতিক রাজামৌলিকে ‍’না‍’ করতেন। তাহলে প্রভাসের জায়গায় দেখা ‌যেত তাঁকেই।

বাহুবলি চরিত্রটিতে অভিনয় করার জন্য পরিচালক রাজামৌলির প্রথম পছন্দ ছিলেন বলিউডের হৃতিক রোশন। তাঁকেই এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য অনুরোধ করেছিলেন রাজামৌলি। কিন্তু হৃতিক কোনও আগ্রহই দেখাননি।

এমনকি শোনা ‌যাচ্ছে বা ভল্লালদেবর চরিত্রটি জন আব্রাহামকেও দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন রাজামৌলি। তবে জনও আগ্রহ দেখাননি। শেষ প‌‌র্যন্ত ভল্লালদে চরিত্রের জন্য রানা দগ্গুবতীকে বেছে নেওয়া হয়।

তবে এখানেই শেষ নয়, শোনা ‌যাচ্ছে ভল্লাদেবের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নাকি বিবেক ওবেরয়ের কাছেও প্রস্তাব গেছিল। তবে তিনিই টাইম দিতে পারবেন না জানিয়ে সরে আসেন।

এমন আরও অনেকেই আছেন ‌যাঁরা বাহুবলিতে কাজ করার প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছিলেন। ‌যেমন শিবগামী চরিত্রের জন্য রাজামৌলি প্রথমে নাকি শ্রীদেবীকে বেছেছিলেন। তবে শেষপ‌র্যন্ত কোনও কারণে শ্রীদেবীও এই চরিত্র করতে রাজি হননি। চরিত্রটি পান রামাইয়া কৃষ্ণন। ‌যথেষ্ঠ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেন।

এমনকি কাটাপ্পা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য জনপ্রিয় দক্ষিণী অভিনেতা মোহনলালের কাছে প্রস্তাব রেখেছিলেন রাজামৌলি। তবে কোনও কারণে মোহনলাল ওই চরিত্রে কাজ করেননি। ফলে এই জনপ্রিয় ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা ‌যায় সত্যরাজকে।

প্রভাসের পাশাপাশি বাহুবলিতে ‌যে চরিত্রটি সবথেকে জনপ্রিয় সেটা হলো দেবসেনা। আর এই চরিত্রে দেখাগেছে আনুশকা শেট্টিকে। তবে প্রথমে নাকি দেবসেনা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথমে নাকি দক্ষিণী অভিনেত্রী নয়নতারার কাছে প্রস্তাব গেছিল। তবে তিনি অন্য একটি ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সময় দিতে পারেননি।

অবন্তিকা চরিত্রের জন্য নাকি রাজামৌলি নাকি সোনাম কাপুরকে। তবে তিনিও রাজি হননি টানা ২ বছর ধরে একটা ফিল্মের মধ্যে আবদ্ধ থাকতে।

‌যাক, হৃতিক, জন, বিবেক, মোহনলাল, শ্রীদেবী, নয়নতারা সোনমএর মত অভিনেত্রীরা ‌যারা বাহুবলিতে কাজ করার জন্য রাজামৌলির প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন। তাঁর আজ বাহুবলির সাফল্য দেখে আফসোস করছেন কিনা তা অবশ্য জানা নেই।






মন্তব্য চালু নেই