মেইন ম্যেনু

রমজানে চাঁদাবাজি রুখতে কঠোর ব্যবস্থা

আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর নিরাপদে নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রমজানে কোথাও কোন চাঁদাবাজির ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক একথা বলেন।

আইজিপি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মুজাহিদের রায়কে কেন্দ্র করে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না ঘটে সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পবিত্র রমজান ও ঈদ উদযাপন নির্বিঘ্ন করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, ট্রেন, বাস ও লঞ্চে নিরাপদ চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদ জামায়াতের নিরাপত্তা, অজ্ঞান পার্টি এবং জাল টাকার অপব্যবহার রোধ করা হবে।

আইজিপি বলেন, ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বড় বড় শহরে বিপণী বিতান ও শপিংমল যথাসম্ভব সিসিটিভির আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

জনসাধারণের কেনা-কাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে গভীর রাত পর্যন্ত পর্যাপ্ত টহলের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যাংক ও অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশ জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। আর্থিক লেনদেন করার সময় পুলিশের মানি এস্কট সুবিধা নিতে বলা হয়েছে।

মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধ এবং যানজট নিরসনে হাইওয়ে এবং জেলা পুলিশ বিশেষ তৎপর থেকে দায়িত্ব পালন করবে। ছিনতাইয়ের ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে যানবাহন না দাড়াতে বলা হয়েছে।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে টিকেট কালোবাজারি প্রতিরোধে পুলিশ, মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাংকের ভেতরে বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে। রাজধানীর মার্কেটগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনতেও কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।