মেইন ম্যেনু

রাউজানে বিএনপি’র এলাকা ত্যাগ, রাঙ্গুনিয়া ও সন্দ্বীপে ভোট বর্জন

চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভা নির্বাচনের ১৯টি কেন্দ্রে নিজের প্রতিকুল অবস্থান দেখে পৌর এলাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাজী আবদুল্লাহ আল হাছান। যোগাযোগে মোবাইল ফোনে তিনি জানান, বুধবার সকাল ৮-৯ টার মধ্যে গহিরা হয়ে রাউজান সদর পর্যন্ত ১১টি কেন্দ্রে গিয়েছি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের কোথাও আমার এজেন্টকে দেখতে পাইনি। পরে জানতে পারলাম ১৯টি কেন্দ্রেই বিএনপি’র প্রতিক ধানের শীষের এজেন্টকে সরকার দলীয় প্রার্থীর লোকজন বের করে দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রে লোকজনের লাইন আছে তবে সেখানে ভোটার নাই, লাইনের সবলোক বহিরাগত। রাউজানে প্রহসনের নির্বাচন হচ্ছে। এখানে সরকার দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার নীলনকশা চূড়ান্ত। এর আগে সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এমনকি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদেরও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

রাঙ্গুনিয়া ও সন্দ্বীপ : সন্দ্বীপ পৌরসভা নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোট দেওয়ার প্রতিবাদে ভোট বর্জন করেছে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লাহ বাহাদুর। অপরদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া পৌর নির্বাচনেও ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোট দেওয়ার প্রতিবাদে ভোট বর্জন করেছে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতিকের মেয়র প্রার্থী হেলাল উদ্দিন খান। তারা জোর দাবি জানান, এ নীলনকশার নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার।

সন্দ্বীপ পৌর নির্বাচনের ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আজমত উল্লাহ বাহাদুর মোটফোনে জানান, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন সকাল পৌনে ১১টার দিকে বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। প্রতিটি কেন্দ্রে জাল ভোটের মহোৎসব চলছে এবং কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর সমর্থকরা ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। তাই আমি এ প্রহসন নির্বাচন বর্জন করেছি। অপরদিকে একই অভিযোগ করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ধানের শীষ প্রতিক হেলাল উদ্দিন খান।

তারা আরো বলেন, এই জালিয়াতি প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার দাবি জানাচ্ছি।